ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। এখন নজর রয়েছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে। তবে কবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়েই চলছে নানা আলোচনা।
জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশব্যাপী সব সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা মেয়রদের অপসারণ করা হয়। এসব শীর্ষ পদে তখন বেশিরভাগই ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতারা। পরে সরকার শীর্ষ পদে প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমানে এসব পদে প্রশাসকরা দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, যত দ্রুত সম্ভব আমরা এগুলোর নির্বাচনের ব্যবস্থা করব। যত দ্রুত সম্ভব এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাজ সরাসরি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত। একে আরও গতিশীল করে জনগণের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্নীতিগ্রস্ত বলে যে বদনাম রয়েছে, সেগুলো কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, যতটা খারাপ বলা হচ্ছে, পরিস্থিতি অতটা খারাপ না। আইনশৃঙ্খলা আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করেছে। সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা অনেকটাই ফিরে এসেছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। দেশে গণ-অভ্যুত্থান ঘটেছে। একদিনে সব ঠিক হবে না। নির্বাচিত সরকার এসেছে, সব ঠিক হয়ে যাবে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিষয়ে সরকারের অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, এটা আমরা পলিটিক্যালি পরে আপনাদের জানাব। সরকারে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের অফিস খোলার বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ঢালাও বলা ঠিক হবে না।