রূপসা উপজেলা বাগমারা বাজারস্থ ব্যাংকের মোড়ে অবস্থিত রূপসা তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার শিক্ষক হাসিবকে ২ ছাত্রকে যৌন হয়রানির অভিযোগে আটক করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগীদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসিব মাস্টার নামের জনৈক মাওলানা উল্লিখিত স্থানে রূপসা তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসা নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। বর্তমানে সেখানে ৩০ জন শিশু পড়াশোনা করছে বলে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির বয়স দেড় বছর।
ওই প্রতিষ্ঠানে তিনি রূপসা থানাধীন রূপালী সী ফুডস মাছ কোম্পানির পেছনে অবস্থিত জাহাঙ্গীর হোসেন এর ৯ বছরের শিশুপুত্র নাঈম হাসানকে গত একমাস ধরে বিকৃত যৌন হয়রানি করে আসছেন। এ ছাড়াও একই এলাকার বশির হোসেনের ছেলে বনি আমিন (০৮)কেও যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনের কারণে মাদ্রাসা কয়েক দিন বন্ধ থেকে ছিল। ১৬ ফেব্রুয়ারি নাঈমকে মাদ্রাসায় পাঠানোর জন্য তার পরিবার থেকে তাগিদ দেওয়া হলে নাঈম হাসান মাদ্রাসায় আসতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে। এক পর্যায়ে পরিবার থেকে চাপ দেওয়া হলে তখন সে তার ফুফুর কাছে তার মাদ্রাসার শিক্ষক দ্বারা সে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে জানায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় অভিভাবকসহ বহু লোকের উপস্থিতিতে রূপসা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আকরাম হোসেনসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ সময় সাংবাদিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি দৈনিক যশোর বার্তার নিজস্ব প্রতিবেদক অ্যাডভোকেট মোল্লা মহববত আলী ও ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক দৈনিক প্রবাহের রূপসা প্রতিনিধি মো. বেনজীর হোসেনকে তথ্য সংগ্রহে বাধা প্রদান করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।
ঘটনাস্থলসংলগ্ন রূপসা বাসস্ট্যান্ডের ফাঁড়ির ইনচার্জ আকরাম হোসেন বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষক হাসিবকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এই ঘটনায় রূপসা থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক মীর জানান, অভিভাবকদের অভিযোগের মাদ্রাসার শিক্ষক হাসিবকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় আসছে। তারা অভিযোগ দায়ের করবেন। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।