হাঙ্গেরির জন্য রাশিয়ার চেয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বড় হুমকি বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান। এপ্রিলের সংসদ নির্বাচনের আগে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, ইইউ হাঙ্গেরির সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করছে এবং তিনি এই ‘চাপ’ থেকে দেশকে মুক্ত করতে চান।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য প্রকাশ করে।
শনিবারের (১৪ ফেব্রুয়ারি) বার্ষিক ভাষণে অরবান বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ঘিরে ভয় ছড়ানো ঠিক নয়, বরং ব্রাসেলস থেকেই তাৎক্ষণিক চাপ আসছে। তিনি ইইউকে অতীতে হাঙ্গেরিতে থাকা সোভিয়েত শাসনের সঙ্গে তুলনা করেন। আগামী ১২ এপ্রিলের নির্বাচনের আগে জরিপে দেখা যাচ্ছে, বিরোধী তিসা পার্টি তার ক্ষমতাসীন ফিদেস দলের চেয়ে এগিয়ে আছে। এ অবস্থায় অরবান ‘বিদেশি প্রভাব’ কমানোর অঙ্গীকার করেছেন।
২০১০ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে অরবান অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতি নিয়েছেন এবং উদারপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সমালোচনা করে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অরবানকে শক্তিশালী নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
অরবান এবারের নির্বাচনকে ‘যুদ্ধ না শান্তি’র প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার দাবি, বিরোধী তিসা পার্টি ক্ষমতায় এলে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধে হাঙ্গেরি জড়িয়ে পড়তে পারে। তিনি বিরোধী নেতা পিটার মাগইয়ারকে ‘ব্রাসেলসের ঘনিষ্ঠ’ বলে অভিযোগ করছেন।
অরবান এবারের নির্বাচনকে ‘যুদ্ধ না শান্তি’র প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার দাবি, বিরোধী তিসা পার্টি ক্ষমতায় এলে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধে হাঙ্গেরি জড়িয়ে পড়তে পারে। তিনি বিরোধী নেতা পিটার মাগইয়ারকে ‘ব্রাসেলসের ঘনিষ্ঠ’ বলে অভিযোগ করছেন।