রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রাকচাপায় যুবক নিহত, ৫ লাখ টাকায় মীমাংসার চেষ্টা বিএনপিকে নিয়ে বক্তব্য স্লিপ অব টাং : হানজালা ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া ও হয়রানি ঠেকাতে থাকছে মোবাইল কোর্ট : ডিএমপি নেতানিয়াহুকে যেকোনো মূল্যে মারতে চায় ইরান পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ইরানকে শেষ করতে গিয়ে কি নিজের রাজনৈতিক কবর খুঁড়ছেন ট্রাম্প? ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ বিবেচনায় রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী খালখনন কর্মসূচি উদ্বোধনে কাল দিনাজপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পিরোজপুরে মাথাবিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার, আটক ২

জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে চার সংগঠনের প্রতিক্রিয়া

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণ শেষে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চারটি পর্যবেক্ষক সংগঠন।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশান এলাকার ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা এ প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন বি স্ক্যান-এর সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী পরিচালক সালমা মাহবুব বলেন, প্রতিবন্ধীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকরা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। অনেক কেন্দ্রে প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো, যেমন র‌্যাম্প, অনুপস্থিত ছিল। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সহায়তার নির্দেশনা থাকলেও কেন্দ্রগুলোতে লিখিত নির্দেশনা পাঠানো হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। ভবিষ্যতে প্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট চালু এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) তাদের অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করেন তিনি।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিয়ে কাজ করা পর্যবেক্ষক সংগঠন রূপসার প্রতিনিধি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তাদের কার্যক্রম মূলত খুলনা অঞ্চলে পরিচালিত হয়েছে। ভোটের আগে সংখ্যালঘুদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা থাকলেও ভোটের দিন পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ। নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ শুরু ও শেষ হয়েছে। রূপসা ৫০৯টি কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছে বলে জানান তিনি। নির্বাচনের দিন সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

নারী অধিকারভিত্তিক সংগঠন আরশি ট্রাস্ট-এর নাফিসা রায়হানা বলেন, নির্বাচনের ১০ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত নারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও অনলাইন হয়রানির ঘটনা বেশি ছিল। ৮৫ জন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মাত্র সাতজন বিজয়ী হয়েছেন। অনলাইন সহিংসতার মধ্যেও বিজয়ী হওয়া প্রার্থীদের তিনি প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।

মানবাধিকার সংগঠন অধিকার-এর প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর কোরবান আলী বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া তুলনামূলক শান্তিপূর্ণ ছিল। তবে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সহিংসতার কিছু ঘটনা বেড়েছে। প্রক্রিয়াগত স্বচ্ছতা থাকলেও সহিংসতার বিষয়টি উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি। সার্বিকভাবে নির্বাচন নিয়ে সংগঠনগুলোর প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102