রাজধানীর ধানমন্ডির ফুটপাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটি একপর্যায়ে পিঠা বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে রনি খন্দকার নামের এক গাড়ি চালকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এস আই) মো. শাহজালাল মিয়া বলেন, আমরা খবর পেয়ে রাতে পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন, আমরা জানতে পারি, রাতে ধানমন্ডি তিন নম্বর রোডের ফুটপাতে একটি পিঠার দোকানে পিঠা খাওয়াকে কেন্দ্র করে পিঠাওয়ালার সঙ্গে ঝগড়ার একপর্যায়ে পিঠাওয়ালা তাকে পিঠে ও বুকে ছুরিকাঘাত করলে গুরুতর আহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই বিষয়ে একজনকে আটক করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।
নিহতে ছেলে মো. রায়হান খন্দকার বলেন, আমার বাবা একজন প্রাইভেট কোম্পানির গাড়িচালক ছিলেন। আমরা জানতে পেরেছি, পিঠা খাওয়াকে কেন্দ্র করে পিঠা বিক্রেতার সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পিঠা বিক্রেতা আমার বাবাকে ছুরিকাঘাত করে, পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। কি কারণে ওই পিঠা বিক্রেতা আমার বাবাকে ছুরিকাঘাত করেছে, আগে কোনো শত্রুতা ছিল কি না এ বিষয়ে আমরা বলতে পারি নাই।
তিনি আরও জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ি বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানার শ্যামপাড়ার গ্রাম। তিনি মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে। আমরা বর্তমানে হাজারীবাগের বউবাজার এলাকায় থাকি।