এই সময়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নেই কোনো আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা। তবে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে নভেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকছে ঠাসা সূচি। দুই মাসের বেশি সময় টানা খেলায় ব্যস্ত থাকতে হবে টাইগারদের।
বিকল্পদের প্রস্তুত রাখার মতো চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টের জন্য। আফগানদের বিপক্ষে টেস্টটা কম গুরুত্বপূর্ণ, ফলে সেখানে হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলামের মধ্যে যে কাউকেই বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। এছাড়া মুশফিক হাসানের মতো এখনো অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা পেসারও এই ম্যাচে খেলতে পারেন।
তবে এক্ষেত্রে নির্বাচকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। নির্বাচকরা বিকল্প পেসারদের চোট থাকলেও তাদের সুবিধামতো ব্যবহার করতে চান। নির্বাচক প্যানেলের সদস্য নাঈম ইসলাম বললেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের কিছু খেলোয়াড় চোটে আছে। তারা সেরে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। তাই আমাদের কিছু অগ্রাধিকারভিত্তিক পরিকল্পনা আছে। এসব বিষয় হিসাব করে যখন যাকে প্রয়োজন হবে এবং যে যখন ফিট থাকবে, সেভাবেই আমরা তাদের খেলানোর চেষ্টা করব।’
যেহেতু অক্টোবর-নভেম্বর দুই মাস টানা খেলা। এই সময়ে পেসারদের ইনজুরি হওয়ার চান্স বেশি থাকে। সেক্ষেত্রে পেসারদের কি ম্যানেজ করাটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে যাবে কি না? এমন প্রশ্নে এই নির্বাচক বলেন, ‘পেসারদের ক্ষেত্রে সবকিছুই তাদের ওয়ার্কলোডের ওপর নির্ভর করবে। আমাদের ফিজিও এবং বোলিং কোচ আছেন, তারা এ বিষয় ভালোভাবে সামলাচ্ছেন। তাদের ওয়ার্কলোড ঠিক রেখে আমরা খেলানোর চেষ্টা করব। বিষয়টি সবসময়ই কঠিন হবে। টানা যদি এতগুলো ম্যাচ থাকে, তাহলে এটা প্রত্যেকটি দলের জন্যই কঠিন। তাই আমরা সবকিছু ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে যতটা সম্ভব সামলে নেওয়ার চেষ্টা করব।’