মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন

হামজাদের নতুন জার্সির মূল্য ১৬০০ টাকা

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জার্সির প্রতি ফুটবলপ্রেমীদের আকর্ষণ অনেক। প্রিয় ফুটবলার কিংবা দলের জার্সি অনেকে যত্ন করে সংগ্রহে রাখেন কেউ কেউ। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আগে জার্সি ব্র্যান্ডিংয়ে মনোযোগ ছিল না। তাবিথ আউয়াল বাফুফে সভাপতি হওয়ার পর পেশাদারত্বের সঙ্গেই জার্সির বিষয় পরিচালনা করছে। আজ দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাংলাদেশ ফুটবল দলের হোম এবং অ্যাওয়ে নতুন জার্সি উন্মোচন করেন।

জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা যখন খেলতাম, তখন বাজার থেকে জার্সি কিনে এনে দিতেন কর্মকর্তারা। এত ব্র্যান্ডিং ও আনুষ্ঠানিকতা করে কখনও জার্সি পড়া হয়নি। এ রকম ব্যবস্থার জন্য বাফুফে সভাপতিকে ধন্যবাদ।’

বাফুফের কিট পার্টনার ‘দৌড়’। তারাই নতুন জার্সি তৈরি করেছে। নতুন জার্সির দাম ১৬০০ টাকা। এত দাম হওয়ার কারণ সম্পর্কে দৌড়ের স্বত্বাধিকারী আবিদ আলম চৌধুরি বলেন, ‘ফেব্রিকের কারণে দামটা একটু বেশি। তবে সামনে আমরা ফ্যান এডিশন করছি, যেটা ৭০০-৮০০ টাকার মধ্যে হতে পারে। বাফুফের অনুমোদন পেলে এটা বাজারে ছাড়া হবে।’

দৌড়ের আনুষ্ঠানিক কোনো শো-রুম নেই। এবার তারা ইনফিনিটিতে বাংলাদেশের জার্সি রাখবে। তাই বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল দৌড়ের শোরুমেরও দাবি জানিয়ে রেখেছেন তার বক্তব্যে, ‘অনলাইনে জার্সি বিক্রি হচ্ছে। আমরা চাই অফলাইনে দৌড়ের শো রুম থেকেও যেন সমর্থকরা জার্সি সংগ্রহ করতে পারে।

বাফুফের সঙ্গে দৌড়ের চুক্তি দুই বছরের। ইতোমধ্যে দেড় বছর পেরিয়েছে। চুক্তি শেষ হওয়ার আগে নতুন জার্সি ডিজাইন ও উন্মোচন হয়েছে। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল প্রতি দুবছর পরপর জার্সিতে পরিবর্তন আনতে চান।

দৌড় বাংলাদেশের ক্রীড়াজগতে অখ্যাত ব্র্যান্ড। হামজা-সামিতদের বদৌলতে দৌড় এখন বাংলাদেশের ও প্রবাসী অনেকের কাছেই পরিচিত। ফুটবলাঙ্গনে প্রশ্ন দৌড়ের থেকে বাফুফের প্রাপ্তি কী? মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান ফাহাদ করিমের বক্তব্য, ‘দৌড়ের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি- তারা জার্সি বিক্রি করলে সেখান থেকে লভ্যাংশ দেবে। সেটা প্রতি মাসে তারা পরিশোধ করছে। বছর শেষে সেটা ভালো অঙ্কই এর পাশাপাশি বিগত সময়ে জার্সি কিনতে যে খরচ হতো সেটাও হচ্ছে না।’

দৌড়ের কর্মকর্তা আবিদ বাফুফের সঙ্গে সম্পর্ক ও জার্সি বিক্রি সম্পর্কে বলেন, ‘গত এক বছর আমরা বিশ হাজারের মতো জার্সি বিক্রি করেছি। প্রতি মাসে বাফুফের রয়্যালিটি বুঝিয়ে দিয়েছি। বাফুফের সঙ্গে যখন চুক্তি হয়, তখন অনেক খেলা বা টুর্নামেন্ট সূচিতে ছিল না। অতিরিক্ত খেলার জন্য আমরা চুক্তির বাইরেও বাফুফেকে কয়েক হাজার জার্সি অতিরিক্ত সরবারহ করেছি। পাশাপাশি বাজারে লোগো ব্যবহার করে বিক্রি হওয়ায় বাস্তবিক অর্থে আমরা সেভাবে লাভ করতে পারেনি।

জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে বাফুফে ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মধ্যে কমলাপুর ও সিলেট স্টেডিয়াম নিয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। বাফুফের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষে পরিচালক ক্রীড়া জাহেদ পারভেজ চৌধুরি স্বাক্ষর করেন।

বাফুফে সভাপতি এই বিষয়ে বলেন, ‘এই দুই স্টেডিয়ামের মালিকানা অবশ্যই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের। বাফুফে সিকিউরিটি ও অন্য ব্যবস্থাপনা দেখাশোনা করবে। এই স্টেডিয়ামে অন্য ফেডারেশনও খেলাধূলা আয়োজন করতে পারবে সেটা বাফুফের সাথে সমন্বয় করে। এই স্টেডিয়াম দুটো শুধু ফুটবল কিংবা বাফুফের ভাবার কোনো কারণ নেই।’

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102