বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাসপোর্টে ফিরছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’, বাদ পড়ছে শেখ মুজিবের সমাধিসৌধের জলছাপ ২৩ মে’র সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল রামিসা হত্যাকাণ্ড : এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর ৯৫ কোটির সরঞ্জাম কেনা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারির জন্য মেয়েশিশুর নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক হতে হবে যেভাবে র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘ঈদ ব্লিস ফিয়েস্তা’ আয়োজন ঢাকাসহ পাঁচ বিভাগে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা ৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী মুহিত অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে করা রিট খারিজ নারায়ণগঞ্জে চাঁদার টাকা না পেয়ে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী মুহিত

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুরু হওয়া ‘৭৯তম ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলি’-তে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত।

সেখানে বাংলাদেশের পক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, নতুন সরকার জাতীয় উন্নয়নের একদম কেন্দ্রবিন্দুতে স্বাস্থ্যকে স্থান দিয়েছে। তবে এখনো দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের ৭০ শতাংশের বেশি মানুষকে নিজের পকেট থেকেই দিতে হয়, যা অনেক পরিবারকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

ড. এম. এ. মুহিত বলেন, এই পরিস্থিতি বদলাতে সরকার ধাপে ধাপে সরকারি স্বাস্থ্য বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সবার জন্য সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, কার্যকর রেফারাল সিস্টেম ও যুগোপযোগী ডিজিটালাইজেশনের ওপর কাজ করছে।

আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৯ মে বাংলাদেশের পক্ষে সম্মেলনের মূল অধিবেশনে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেন প্রতিনিধি দলের নেতা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত।

তার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল যোগ দিয়েছেন স্বাস্থ্য খাতের সবচেয়ে বড় এই বৈশ্বিক আসরে।

মূল অধিবেশনের পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের একটি সাইড ইভেন্টে গ্লোবাল ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের নীতি-নির্ধারণী সভায় বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও অংশ নেন ড. এম. এ. মুহিত।

এ সময় তিনি বর্তমান সরকারের চলমান স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরে জানান, সরকার সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, সরকারি ও বেসরকারি খাতের স্বাস্থ্য তথ্যের সমন্বয়, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং মানসিক স্বাস্থ্য, প্রতিবন্ধীবান্ধব সেবা ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় কার্যক্রম জোরদারকরণে কাজ করছে।

পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপর বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু ঝুঁকির সামনের সারিতে থাকা বাংলাদেশের ওপর এর নেতিবাচক স্বাস্থ্যগত প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে রোগের ধরন দ্রুত পাল্টাচ্ছে এবং দেশের বিদ্যমান চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর মারাত্মক অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। এর পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়া ১.৩ মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা নাগরিকের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি বাংলাদেশের সীমিত স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোর ওপর বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী নিরাপদ, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায্য ‘প্যাথোজেন অ্যাক্সেস অ্যান্ড বেনিফিট শেয়ারিং’ ব্যবস্থা দ্রুত চূড়ান্ত করার জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।

নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ওপর বৈশ্বিক স্বাস্থ্য অর্থায়নের সংকোচন, সংঘাত ও মানবিক সংকটের মারাত্মক প্রভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি সম্পদের দক্ষ ব্যবহারের তাগিদ দেন। বিশেষ করে অসংক্রামক রোগ ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা হারানোর মতো নীরব ঘাতক মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর তিনি জোর দেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102