সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটের কনটেন্ট (আধেয়) ব্লক ও ফিল্টার করার সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ৯৫ কোটি টাকার সরঞ্জাম কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
গতকাল বুধবার (২০ মে) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ–সংক্রান্ত প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে বলা হয়, এনটিএমসির কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিং ব্যবস্থা সম্প্রসারণ (পর্যায়–১)-এর আওতায় সীমিত দরপত্র পদ্ধতি অনুসরণ করে ৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এর মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠান কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব জমা দেয় এবং দুটি প্রতিষ্ঠান রেসপনসিভ হয়। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ঢাকার ধানমন্ডির গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি কাজ পায়। প্রস্তাবিত দর সরকারি প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।
প্রকল্পের আওতায় তিনটি নেক্সট জেনারেশন ফায়ারওয়াল ডিভাইস, দুটি মাল্টিফাংশনাল হাইব্রিড প্যাকেট ব্রোকার, তিনটি সুইচ ম্যানেজমেন্ট কার্ড এবং ছয়টি ডেটা সেন্টারের আংশিক সংযুক্ত আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম কেনা হবে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সরঞ্জামের মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটের কনটেন্ট ব্লক ও ফিল্টারিং সক্ষমতা বাড়ানো হবে।
এনটিএমসি গঠিত হয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ অনুযায়ী। পরবর্তীতে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এতে সংশোধন আনা হয়, যেখানে নজরদারির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। এর আগে সংস্থাটিকে ঘিরে নানা বিতর্কের কারণে এটি বিলুপ্তির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর এনটিএমসি বিলুপ্ত করে ‘সেন্টার ফর ইনফরমেশন সাপোর্ট (সিআইএস)’ নামে নতুন সংস্থা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হলেও পরবর্তীতে তা কার্যকর হয়নি।