১৯৭২ থেকে ২০০১ সাল টানা ২৯ বছর নকলে সহায়তা করেছিলেন শিক্ষকরা বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘২০০১ সালে নকলের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছিল এই কুমিল্লায়, আমরাতলী হাইস্কুলে। আবার সেই কুমিল্লায় এসেছি।’
শনিবার (৪ এপ্রিল) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে কুমিল্লা অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাসহ কেন্দ্র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
শিক্ষকদের তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি সত্যিকার অর্থে ছাত্রদের লেখাপড়া শেখান তাহলে সদকায়ে জারিয়া পাবেন। আমি বলেছিলাম শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা। এখানে আপনি ওজু ছাড়া ঢুকতে পারবেন না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে থেকে অসৎ কাজ করা যায় না। এই মন্ত্রণালয়কে আমি পবিত্র করেছিলাম। সেখানে আপনারা কাজ করেছেন।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে শিক্ষায় দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা অনেক কাজ করেছি কিন্তু স্বপ্ন একটা সেটা হলো তারেক রহমানের আগামীর বাংলাদেশ গড়া। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্য দশটা মন্ত্রণালয়ের মতো না। শিক্ষায় অনিয়ম ছাড় দেওয়া যাবে না। কারণ এটা শিক্ষা। এখানে যারা কাজ করছেন তারা সবাই সদকায়ে জারিয়া পাবেন।’
ড. মিলন আরও বলেন, ‘১৯৭২ থেকে ২০০১ সালে নকলে সহায়তা করেছিলেন শিক্ষকরা। আবার ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল আমি নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলাম। পরে আমরা সরে গেলাম আবার সেই একই অবস্থা। তার মানে যেভাবে সরকার চায় আপনারা সেভাবে কাজ করবেন। এবার আমরা এসেছি আমরা নকল চাই না। ২০০২ নকলের বিরুদ্ধে আমি নেমেছিলাম। তখন সাংবাদিকরা আমাকে বলেছিলেন আপনি শিক্ষা ব্যবস্থায় ধস নামাচ্ছেন। আমি বললাম কখনোই না।’
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘সাংবাদিকরা আবার না জিজ্ঞেস করে শিক্ষা ব্যবস্থায় ধস নামবে কি না। তাই সবাইকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিগত বছরগুলোর সঙ্গে মেলাতে হবে, জানতে হবে। জেনজিরা আমাদের সত্য কথা বলতে শিখিয়েছে, তাদের কমিটমেন্ট থাকতে হবে শিক্ষকদের সহায়তা করবেন।’