রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আশীর্বাদ ও হুমকির দোলাচলে ভবিষ্যৎ; এআই কি তবে মানুষের মগজ গিলে খাচ্ছে? তীব্র তাপদাহে ১৫ জেলায় জনজীবন দুর্বিষহ ইরানে নিখোঁজ থাকা ক্রুকে উদ্ধার করল মার্কিন স্পেশাল ফোর্স ইরান থেকে ‘নাটকীয়ভাবে’ বের হলো মার্কিন পাইলট উদ্ধারকারী দল ইসলামে দান পরকালীন সওয়াব ও ইহকালীন সমৃদ্ধির সেতুবন্ধন ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান রমজানের বাদ পড়া রোজা আদায়ের নিয়ম : জানুন ইসলামের বিধান পে-স্কেল ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বৈঠক আজ যুক্তরাষ্ট্রে কাসেম সোলেমানির স্বজনদের গ্রেপ্তার সারা দেশে হামের টিকা দেওয়ার তারিখ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির অভিযোগ, ভৈরবে নারী পাচারকারী গ্রেপ্তার

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবের রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ফুসলিয়ে ময়মনসিংহের একটি পতিতালয়ে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগে মানবপাচার চক্রের অন্যতম সদস্য শারমিন (২৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে কিশোরগঞ্জ জেলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ।

গ্রেপ্তারকৃত শারমিন নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার মৃত আহম্মদ আলীর মেয়ে। সে বর্তমানে ভৈরব রেলস্টেশন এলাকায় ভাসমান অবস্থায় বসবাস করত।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভৈরব রেলস্টেশন এলাকায় ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করা এক দম্পতির মেয়ে ফারজানা ওরফে নাইমা (১৪)। গত ১০ জানুয়ারি কিশোরী নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার মা পারভিন বেগম। পরবর্তীতে লোকমুখে খবর পেয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের গাঙ্গিনাপাড় এলাকার ‘নাজমা বোর্ডিং’ নামক একটি পতিতালয় থেকে ভৈরব থানা পুলিশ ও স্বজনদের সহায়তায় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া কিশোরীর মা পারভিন বেগম বলেন, ‘আমি ভিক্ষা করে খাই। আসামি শারমিনসহ আরও ৪-৫ জন আমার মেয়েকে ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ময়মনসিংহে নিয়ে যায়। সেখানে একটি পতিতালয়ে লাভলী ও কবিরের কাছে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়। এরপর সেখানে তাকে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হতো। কথা না শুনলে মারধর করা হতো। আমি দোষীদের শাস্তি চাই।’

এ বিষয়ে স্টেশন এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরে দেখছি, রাতে শাহ আলমের অনুপস্থিতিতে শারমিন দোকান পরিচালনা করত। এ নিয়ে এলাকায় অনেক গুঞ্জন ছিল। রাতে পুলিশ শারমিনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে। আজ জানতে পারলাম, সে পাচারকারী চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। লোকমুখে গুঞ্জন রয়েছে, শারমিন এখন শাহ আলমের স্ত্রী।’

ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, ‘এটি একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্র। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসহায় কিশোরীকে কাজের কথা বলে পতিতালয়ে বিক্রি করে দিয়েছিল। আমরা এজাহারনামীয় আসামি শারমিনকে গ্রেপ্তার করে আজ আদালতে পাঠিয়েছি। মোট সাতজন আসামির মধ্যে শারমিনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতেও আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102