মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব কমাতে সেখানে মাইন শনাক্তকারী ড্রোন মোতায়েনের বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাজ্য। সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল সুরক্ষিত রাখতেই এ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে।
এর আগে ওই অঞ্চলে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিত্র দেশগুলোর যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
বিশ্বের মোট উত্তোলিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ প্রতিদিন এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই প্রণালির নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমস প্রথম এ পরিকল্পনার খবর প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রয়্যাল নেভির ‘মাইন অ্যান্ড থ্রেট এক্সপ্লয়টেশন গ্রুপ’ থেকে এসব ড্রোন মোতায়েন করা হতে পারে, যাদের একটি অংশ বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে।
তবে বর্তমানে কতটি ড্রোন কার্যকর রয়েছে এবং সেগুলোর মধ্যে কতটি মোতায়েন করা সম্ভব এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
অন্যদিকে দ্য সানডে টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা ব্রিটিশ ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ভবিষ্যতে ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোন প্রতিহত করতেও ব্যবহার করা হতে পারে।