সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা আল-খার্জ গভর্নরেটের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে। এর আগে মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ৯টি ড্রোন ধ্বংস করেছে।
তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কোথা থেকে ছোড়া হয়েছিল, সে বিষয়ে সৌদি কর্মকর্তারা কিছু জানাননি।
সোমবার (২ মার্চ) সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাসে অবস্থিত দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) স্টেশনে ড্রোন হামলা হয়েছে। এটি ইরানি ড্রোন ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র মঙ্গলবার রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছে।
তবে ওই সূত্র বলেছে, সিআইএর স্টেশনটি সরাসরি হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল—এমন কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
সিআইএ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
সৌদি আরব বলেছে, তারা ইরানের এসব হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত। দেশের নিরাপত্তা ও বাসিন্দাদের সুরক্ষায় তারা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার খবরে এই তথ্য জানানো হয়।
সৌদি প্রেস এজেন্সির খবরে বলা হয়, সৌদির মন্ত্রিসভা জোর দিয়ে বলেছে, ইরানের সম্ভাব্য যেকোনো হামলার জবাবে মিত্র দেশগুলো কোনো পদক্ষেপ নিলে তাদের সমর্থনে সব ধরনের সক্ষমতা কাজে লাগাতে প্রস্তুত রয়েছে তারা।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান। এর মধ্যে সৌদি আরবে সিআইএর স্টেশনে হামলার ঘটনা ঘটল।
সংঘাত চলাকালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেও হামলা হয়েছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, দুটি ড্রোন ব্যবহার করে দূতাবাসটিতে হামলা চালানো হয়। এতে সীমিত আকারে আগুন লাগে। কিছু বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়।