রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন

রমজানে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা নেই চট্টগ্রামে

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসে চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা নেই। চাহিদার তুলনায় বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ায় চলতি বছর রমজানে লোডশেডিং হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আগ্রাবাদস্থ প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরীতে প্রতিদিন বিদ্যুতের চাহিদা থাকে ৮০০ থেকে ১১০০ মেগাওয়াটের মধ্যে। বিপরীতে চট্টগ্রাম জোনে ৯ থেকে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র মিলিয়ে উৎপাদন হচ্ছে ১৬৮৬ থেকে সর্বোচ্চ ২৪১২ মেগাওয়াট পর্যন্ত। ফলে চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত ৭০৮ থেকে ১১৯৩ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে রমজানজুড়ে কোনো বিদ্যুৎ সংকট বা লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা নেই বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। সর্বশেষ ২৩ ফেব্রুয়ারি পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, চট্টগ্রাম জোনের ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সর্বোচ্চ ২৪১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। সেদিন সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১২১৮ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট। জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে ১১৯৩ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট।

উৎপাদিত বিদ্যুতের মধ্যে ছিল- বারাকা ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র থেকে ১৯ মেগাওয়াট, বারাকা শিকলবাহা ১০৫ মেগাওয়াট কেন্দ্র থেকে ৩৩ মেগাওয়াট, কক্সবাজার উইন্ড প্লান্ট থেকে ৬ মেগাওয়াট, দোহাজারী ১০০ মেগাওয়াট প্লান্ট থেকে ১৭ মেগাওয়াট, কাপ্তাই সোলার (৭.১ মেগাওয়াট) থেকে ৩.২১ মেগাওয়াট, কাপ্তাই-২ (৪৬ মেগাওয়াট) থেকে ৩৫ মেগাওয়াট, কাপ্তাই-৫ (৫০ মেগাওয়াট) থেকে ৪০ মেগাওয়াট, কেইপিজেড সোলার প্লান্ট থেকে ৩.১৬ মেগাওয়াট, মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫২০ মেগাওয়াট, শিকলবাহা ২২৫ মেগাওয়াট কেন্দ্র থেকে ২২১ মেগাওয়াট, এসএস পাওয়ার বাঁশখালী প্লান্ট থেকে ১১০৭ মেগাওয়াট, টেকনাফ ২০ মেগাওয়াট প্লান্ট থেকে ১৮.৩২ মেগাওয়াট এবং ইউনাইটেড পাওয়ার ৫০ মেগাওয়াট প্লান্ট থেকে ৩২ মেগাওয়াট।

বিপিডিবির চট্টগ্রাম জোনের প্রধান প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রাম জোনে চাহিদার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে এ বছর রমজানে কোনো লোডশেডিং হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’

বিপিডিবির সহকারী পরিচালক আকবর হোসেন জানান, ‘রমজানের আগের দিন ১৮ ফেব্রুয়ারি মোট উৎপাদন হয়েছিল ২২৯৯ দশমিক ৭৯ মেগাওয়াট। সেদিন চাহিদা ছিল ১১১২ মেগাওয়াট এবং জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয় ১১৮৭ দশমিক ৭৯ মেগাওয়াট।’

তিনি আরও জানান, ‘২৩ ফেব্রুয়ারি মোট উৎপাদন হয়েছে ২৪১২ মেগাওয়াট। সেদিন চাহিদা ছিল ১২১৮ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট এবং জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে ১১৯৩ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। তবে মাঝে মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় লাইন মেইনটেন্যান্সের কারণে কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ রাখা হয়।’

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102