নানা সমালোচনা ও রাজনৈতিক আপত্তির মুখে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন-সংক্রান্ত আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটের দিন ভোটার, প্রার্থী, তাদের এজেন্ট এবং সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন সঙ্গে নিতে পারবেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল বহনে আর বাধা থাকবে না। তবে গোপন কক্ষে মোবাইল ফোন নেওয়া বা সেখানে ছবি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
এর আগে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ এলাকার মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে একটি নির্দেশনা জারি করে ইসি। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয় এবং কয়েকটি রাজনৈতিক দল আপত্তি তোলে।
সোমবার বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতারা মোবাইল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে ইসির সঙ্গে বৈঠক করেন। একই দাবিতে নির্বাচন কমিশনে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর একটি প্রতিনিধি দলও।
সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান উদ্বেগ ছিল মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়টি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগের নির্দেশনায় কিছু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। কমিশনের উদ্দেশ্য লিখিত নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়নি। নতুন করে বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ নির্ধারণ করা হচ্ছে।
ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে মোবাইল ব্যবহারে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকবে। তবে সাধারণ ভোটার ও সংশ্লিষ্টদের জন্য সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আর থাকছে না।