দাওয়াতুল ইহসান বাংলাদেশের আমীর আল্লামা আব্দুল আউয়াল ও মহাসচিব মুফতী বশিরুল্লাহ আজ শনিবার এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন,ফিলিস্তিনের নির্যাতিত ও নিপীড়িত জনগণের ওপর দখলদার ইসরাইল দীর্ঘদিন
বিশ্বের নজর এখন ইসলামাবাদে। শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে ইতোমধ্যে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পাকিস্তান সরকার।
যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বাংলাদেশিদের অনুদানে একটি মাদরাসা নির্মাণ করা হয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে কোরআন শিক্ষা ও হিফজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাংলাদেশের মানবিক সংস্থা ‘মাই ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ এর উদ্যোগে
টানা ছয় সপ্তাহের সংঘাতের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করতে আজ শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসার কথা। তবে আলোচনার আগেই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। তেহরান জানিয়েছে, লেবানন
এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের নজর ইসলামাবাদে। একদিকে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল, অন্যদিকে মার্কিন প্রতিনিধিদল- দুই সপ্তাহের নড়বড়ে যুদ্ধবিরতির পর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের জন্য পাকিস্তানে পৌঁছেছে উভয় পক্ষ। তবে কূটনৈতিক আলোচনার বাইরেও
ইসলামী বিপ্লবের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলি খামেনির শাহাদাতের ৪০তম দিন উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার সর্বস্তরের ইরানিরা গম্ভীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রথম দিনেই তিনি
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠকে যোগ দিতে এরই মধ্যে পৌঁছেছে ইরান ও আমেরিকার প্রতিনিধিদল। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) ইসলামাবাদে বসছে উভয় দলের শান্তি বৈঠক। এই আলোচনার ফলাফল জানতে গোটা বিশ্ব
পাকিস্তানে চলছে ইরান-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনা। বৈঠক চলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হলে ওয়াশিংটন পরিস্থিতি আরও কঠোর করতে প্রস্তুত। যদি আলোচনা সফল না হয়, আমরা
ইরানের বিরুদ্ধে ৪০ দিনের মার্কিন–ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসনের পর একটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে এই বিরতিকে স্থায়ী রূপ দিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে বড়সড় রদবদল ঘটল রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে। প্রাক্তন তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীর এবং তাঁর দল ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’র (এজেইউপি) সঙ্গে জোট ছিন্ন করার ঘোষণা করল