ভারত, চীন, রাশিয়া, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অন্যান্য উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকস ইরানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ জুন) ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর জারি করা
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ জানাতে মধ্য তেহরানে রাজপথে নেমে এসেছে জনতা। দেশটির রাষ্ট্রীয় ও রাষ্ট্র-অনুমোদিত সংবাদ সংস্থা ইরনা, ফার্স ও মেহের নিউজ বিশাল সমাবেশের ফুটেজ সম্প্রচার করছে।
বিমান পর্যবেক্ষণ সংস্থা ফ্লাইটরাডার২৪ জানিয়েছে, ১২ দিনের সংঘাত শেষে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর মঙ্গলবার (২৪ জুন) ইরানের আকাশসীমা আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪ তাদের এক্স-এর এক পোস্টে জানিয়েছে,
ইরানের তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্র লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি যে হামলা চালিয়েছে, তাতে কেন্দ্রগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়নি বলে জানিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। সিএনএনের এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির
যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের নাগরিকদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থা। অভিযানে প্রায় ১২ জন ইরানিকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ জুন) আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মার্কিন
এবার ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। পাবলিকান আইনপ্রণেতা বাডি কার্টার এই পুরস্কারের জন্য ট্রাম্পকে মনোনীত করেছেন। মঙ্গলবার (২৪ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য
ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের সময় ইরান ইসরায়েলে প্রায় ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রায় এক হাজারটি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল, যার বেশিরভাগই প্রতিহত করা হয়েছে। জনবহুল এলাকায় কমপক্ষে ৩১টি
উত্তর কোরিয়া বছরের প্রথমার্ধে রাষ্ট্রীয় নীতির বাস্তবায়ন পর্যালোচনার জন্য গহীন পাহাড়ে এক গুরুত্বপূর্ণ দলীয় বৈঠক আয়োজন করেছে। মধ্যপ্রাচ্য যখন পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে ঠিক তখন এই ‘গোপন বৈঠক’ অনুষ্ঠিত হলো। তবে
ইরান ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতির মাঝেই পুনরায় দেশ দুটি একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ তুলেছে। তবে নতুন করে হামলা না চালাতে ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের তীব্র সংঘাতের পর অবশেষে উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এই সংঘাত বন্ধ করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার আলোচনার জন্য ইরানকে আহ্বান জানালেও তেহরান