বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন

মাদকাসক্তি ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে প্রাথমিক স্তর থেকেই উদ্যোগ নিতে হবে

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিকতার ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘মাদকাসক্তি ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে শিক্ষার একেবারে প্রাথমিক স্তর থেকেই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।’

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া মেধাবী স্কাউটদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিতে হবে আজকের মেধাবীদেরই। দেশ গঠনে তাদের মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগাতে হবে। মেধাবীদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের যথাযথভাবে উৎসাহিত করার কোনো বিকল্প নেই।’

স্কাউটিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘স্কাউটিং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দেওয়া, মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া, দেশকে ভালোবাসা এবং প্রয়োজনে দেশের জন্য আত্মত্যাগের মানসিকতা তৈরি করে। একইভাবে খেলাধুলা তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

তিনি বলেন, ‘তরুণদের মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করতে হবে। স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে কীভাবে নেতৃত্ব দিতে হয়, কীভাবে মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হয় এবং দেশের মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হয়-এসব শিক্ষা পাওয়া যায়।’

এ লক্ষ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি। দেশের ২২ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মধ্যে ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী পুরস্কৃত করেছেন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পোশাক ও মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শিক্ষাক্রমের পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘চতুর্থ শ্রেণি থেকে স্পোর্টস, কালচার, এথিকস ও মরালস এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসারেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্কাউটের জন্য পৃথক স্কিম নেওয়া হয়েছে এবং বিএনসিসির জন্যও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যারা ভালো ফল করেছে, তাদের যথাযথভাবে সম্মানিত ও পুরস্কৃত করা হবে। আগামী প্রজন্মকে গড়ে তোলার দায়িত্বও মেধাবী শিক্ষার্থীদেরই নিতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের মেধা ও বিশাল জনসংখ্যা দেশের উন্নয়নের অন্যতম বড় সম্পদ। এই মানবসম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি উদাহরণ তৈরি করতে সক্ষম হবে। আগামী প্রজন্মের হাত ধরেই দেশ সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে।’

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102