লিওনেল মেসির সঙ্গে একসময় আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠ মাতিয়েছেন। এবার সেই মেসিকেই কোচিং করাতে যাচ্ছেন ক্রিস্তিয়ান ‘কিলি’ গঞ্জালেস। গিলের্মো হয়োসকে সরিয়ে নতুন প্রধান কোচ হিসেবে আর্জেন্টাইন এই কোচকে নিয়োগ দিয়েছে ইন্টার মায়ামি।
তবে নতুন কোচের আগমনটা মায়ামির জন্য স্বস্তির সময়ে হচ্ছে না। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে জয়হীন দলটি; চারটি হারের সঙ্গে একটি ড্র। লিগস কাপ ও এমএলএসের ম্যাচ মিলিয়েই এসেছে এই হতাশাজনক ফল। মায়ামি অবশ্য এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে এখনো দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। ২১ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩৯।
কিলি গঞ্জালেসের দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিষয় আলাদা করে নজর কাড়ছে। আর সেটা হচ্ছে মেসির সঙ্গে তাঁর পুরোনো সম্পর্ক। ২০০৫ সালে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে একই সঙ্গে খেলেছেন তাঁরা। ওই বছর পেরু ও উরুগুয়ের বিপক্ষে দুটি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে মেসির সতীর্থ ছিলেন গঞ্জালেস।
ফুটবলার হিসেবে গঞ্জালেসের ক্যারিয়ারও ছিল বেশ সমৃদ্ধ। ১৯৯৩ সালে রোসারিও সেন্ট্রালের হয়ে পেশাদার ফুটবল শুরু করে তিন বছর পর পাড়ি জমান ইউরোপে। স্পেনে ভ্যালেন্সিয়া ও রিয়াল জারাগোসার হয়ে খেলার পর ইতালিতে ইন্টার মিলানের জার্সিও পরেছেন তিনি। পরে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন।
কোচ হিসেবেও আর্জেন্টিনার ফুটবলে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। রোসারিও সেন্ট্রাল, ইউনিয়ন সান্তা ফে ও প্লাতেন্সের মতো ক্লাবের দায়িত্ব সামলেছেন গঞ্জালেস।
মায়ামির কোচ হিসেবে আপাতত তাঁর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব শুরু হচ্ছে না। প্রয়োজনীয় ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পরই তিনি ও তাঁর কোচিং স্টাফ দলের দায়িত্ব নেবেন। ততদিন অন্তর্বর্তীভাবে দল পরিচালনা করবেন গিলের্মো হয়োস।
গত এপ্রিল মাসে হাভিয়ের মাসচেরানোর স্থলাভিষিক্ত হয়ে অন্তর্বর্তী কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন হয়োস। পরে বিশ্বকাপের পর তাঁকেই স্থায়ী কোচ করা হয়। শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। প্রথম আট ম্যাচে ৬ জয়, ১ ড্র ও ১ হার; সর্বোচ্চ ২৪ পয়েন্টের মধ্যে ১৯ পয়েন্ট পেয়েছিল মায়ামি। ওই আট ম্যাচে দল করেছিল ২৬ গোল, যা এমএলএসে ক্লাবটির প্রথম আট ম্যাচের মধ্যে কোনো কোচের অধীনে সেরা শুরু।
তবে সাম্প্রতিক সময়ের টানা ব্যর্থতার পরই বদলে গেল মায়ামির ডাগআউট।