বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৫২ পরিবারের শিশু পুনরায় বিদ্যালয়মুখী, নেপথ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশনের বিকল্প আয়ের সুযোগ ও সুনিবিড় পর্যবেক্ষণ বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে এ্যাম্বুলেন্সের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ যানবাহন পুড়ে ছাই চুল বিক্রি করে ঘরভাড়া দেওয়া রেহানার পাশে প্রতিমন্ত্রী, পেলেন ঘর ও অর্থ সরকারি প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজের ১০৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্যোগে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ র‌্যাব বিলুপ্ত হয়ে আসছে এসআরবি দুলুকে গুলির চেষ্টা, আটক যুবকের পরিচয় মিলেছে হাসিনার নির্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করা হয়েছিল চলনবিলে ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে : বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাত: মাথা গোঁজার ঠাঁই পেতে মাথার চুল বিক্রি করলেন অসহায় মা

৫২ পরিবারের শিশু পুনরায় বিদ্যালয়মুখী, নেপথ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশনের বিকল্প আয়ের সুযোগ ও সুনিবিড় পর্যবেক্ষণ

শেখ মাসুম বিল্লাহ, (রামপাল, মোংলা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

বাগেরহাটের রামপালে শিশুশ্রম রোধ ও ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে “শ্রমে নিযুক্ত শিশুরা পুনরায় বিদ্যালয়মুখী হওয়ায় আনন্দ উদযাপন” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে রামপালের ৫২টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের ৫২ জন শিশু শিশুশ্রম থেকে মুক্ত হয়ে নতুন করে শ্রেণিকক্ষে ফিরেছে।
উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে রামপাল এপি, রামপাল এডিপি এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে এই সাফল্য উদযাপিত হয়।

জানা গেছে, দারিদ্র্যের কারণে শিশুশ্রমে জড়িয়ে পড়া এসব পরিবারের অর্থনৈতিক সংকট দূর করতে ওয়ার্ল্ড ভিশন তাদের সরাসরি আর্থিক সহায়তা ও বিকল্প আয়ের (ইনকাম জেনারেটিং অ্যাক্টিভিটি) ব্যবস্থা করে দিয়েছে। একইসঙ্গে শিশুরা নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে কি না এবং পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে কি না, তা প্রতিনিয়ত সুনিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ (মনিটরিং) করে আসছে সংস্থাটি।

অনুষ্ঠানে রামপাল এডিপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র ম্যানেজার ফুলি সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ তামান্না ফেরদৌস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রামপাল উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ শাহিনুর রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ।

অনুষ্ঠান পরিচালনায় ও সার্বিক সহায়তায় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নাথন চৌধুরী, প্রোগ্রাম অফিসার সুবাস জয়ধর এবং প্রোগ্রাম অফিসার ইশিতা বৈরাগী।

বক্তারা বলেন, কেবল শিশুদের স্কুলে পাঠানোই শেষ কথা নয়; পরিবারগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং নিয়মিত মনিটরিং করার মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ভিশন যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এর ফলে শিশুশ্রম চিরতরে দূর করার পথ সুগম হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102