বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাসপোর্টে ফিরছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’, বাদ পড়ছে শেখ মুজিবের সমাধিসৌধের জলছাপ ২৩ মে’র সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল রামিসা হত্যাকাণ্ড : এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর ৯৫ কোটির সরঞ্জাম কেনা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারির জন্য মেয়েশিশুর নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক হতে হবে যেভাবে র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘ঈদ ব্লিস ফিয়েস্তা’ আয়োজন ঢাকাসহ পাঁচ বিভাগে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা ৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী মুহিত অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে করা রিট খারিজ নারায়ণগঞ্জে চাঁদার টাকা না পেয়ে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ভোরে ঘুম থেকে ওঠার উপকারিতা

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

রাত জেগে সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজ করা বা সিনেমা দেখে দেরিতে ঘুমানো এবং সকালে দেরিতে ওঠা—এটি এখন অনেকের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি পড়াশোনা ও ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

নিচে ভোরে ঘুম থেকে ওঠার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা তুলে ধরা হলো—

১. শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতি

ভোরের পরিবেশ সাধারণত তুলনামূলকভাবে নির্মল ও সতেজ থাকে। এই সময় বাইরে হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম শরীরকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে।

নিয়মিত সকালে ব্যায়াম করলে— মেটাবলিজম সক্রিয় থাকে, ক্যালরি বার্নের হার বৃদ্ধি পায়, সারাদিন শরীর চনমনে থাকে।

এছাড়া সকালে সূর্যের আলো শরীরে ভিটামিন ডি উৎপাদনে সাহায্য করে, যা হাড়ের স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ভোরে ওঠার ফলে ঘুমের একটি সুশৃঙ্খল রুটিন গড়ে ওঠে, যা গভীর ও মানসম্মত ঘুম নিশ্চিত করে।

২. মানসিক স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব

ভোরের নীরব ও শান্ত পরিবেশ মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। এই সময় হাঁটাহাঁটি বা হালকা ব্যায়াম স্ট্রেস কমাতে সহায়ক হতে পারে।

বিভিন্ন গবেষণার তথ্যমতে, যারা নিয়মিত আগেভাগে ঘুম থেকে ওঠেন তাদের মধ্যে বিষণ্নতা ও উদ্বেগের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।

ভোরের এই সময়টি মনকে রিচার্জ করে এবং সারাদিন ইতিবাচক মানসিক অবস্থায় থাকতে সাহায্য করে।

৩. উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি

ভোরবেলা সাধারণত মন বেশি শান্ত থাকে এবং মনোযোগের ক্ষমতা বেশি থাকে। তাই এই সময় গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।

এই সময়ে— পড়াশোনা , লেখালেখি , পরিকল্পনা বা সৃজনশীল কাজ ।

করা তুলনামূলকভাবে বেশি ফলপ্রসূ হয়। অনেক সফল ব্যক্তি তাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজ দিনের শুরুতেই সম্পন্ন করেন।

৪. খাদ্যাভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন

ভোরে ওঠার ফলে নিয়মিত ও সময়মতো সকালের নাস্তা করা সহজ হয়। এতে শরীর সারাদিন শক্তি পায় এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি নির্ভরতা কমে।

সুষম নাস্তা— শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে, মনোযোগ বাড়ায়, অতিরিক্ত স্ন্যাকিং কমায় ।

৫. সাফল্য ও সময় ব্যবস্থাপনায় সহায়ক

ভোরে ওঠা মানুষরা সাধারণত দিনের শুরুতেই পরিকল্পনা সাজিয়ে নিতে পারেন। এতে কাজের অগ্রাধিকার ঠিক করা সহজ হয় এবং দিনটি বেশি গোছানোভাবে কাটে।

সকালের এই শান্ত সময়টি ব্যক্তিগত উন্নয়ন ও লক্ষ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভোরে ওঠার অভ্যাস গড়ার পরামর্শ

ধীরে ধীরে সময় পরিবর্তন করুন
হঠাৎ বড় পরিবর্তন না করে প্রতিদিন ১০–১৫ মিনিট করে আগে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন।

পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন
প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করতে রাতে আগেই ঘুমাতে যান।

ঘুমের আগে স্ক্রিন টাইম কমান
ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে মোবাইল ও অন্যান্য ডিভাইস ব্যবহার কমালে ঘুমের মান উন্নত হয়।

সকাল শুরু করার রুটিন তৈরি করুন
ঘুম থেকে ওঠার পর হালকা স্ট্রেচিং, পানি পান বা হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুললে দিন শুরু করা সহজ হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102