শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্ষণের শিকার ১২ বছরের শিশুর পেটে পাঁচ মাসের সন্তান যে এলাকার নেতা প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, সে এলাকায় কি উন্নয়ন হবে না’ একসঙ্গে গাঁজা সেবন করছিলেন বাবা-ছেলে, অতঃপর… ইসরায়েলের গণহত্যা নিয়ে কথা বলে সিনেমা থেকে বাদ পড়েন অভিনেত্রী ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের কাজ চলছে : শিক্ষামন্ত্রী বিশ্বে নতুন আতঙ্ক প্রাণঘাতী হান্টাভাইরাস, ছড়ায় যেভাবে অভিনেতা থেকে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন বিজয় শুভেন্দু অধিকারী হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছাত্রাবাসে ফ্যানে ঝুলছিল কলেজছাত্রের মরদেহ বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই, থাকছে যেসব বিষয়

তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু, তদন্তে যা জানা গেল

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

ভারতে তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। ফরেনসিক পরীক্ষায় নিহতদের দেহ এবং তারা যে তরমুজ খেয়েছিলেন, তার নমুনায় ইঁদুর মারার বিষাক্ত রাসায়নিক ‘জিঙ্ক ফসফাইট’-এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ফলে খাদ্য বিষক্রিয়া নয়, বিষক্রিয়াতেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছেন চিকিৎসক ও তদন্তকারীরা।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মুম্বাইয়ের নিজ বাড়িতে আত্মীয়দের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন ৪৫ বছর বয়সি আবদুল্লাহ দোকাদিয়া ও তার ৩৫ বছর বয়সি স্ত্রী নাসরিন। সেখানে তাদের দুই মেয়ে—১৩ বছরের জয়নাব ও ১৬ বছরের আয়েশাও ছিল। আত্মীয়দের খাবারের জন্য খাসি পোলাও রান্না করা হয়েছিল।

তারা চলে যাওয়ার পর রাত ১টার দিকে ওই পরিবারটি তরমুজ খায়। এরপর ভোর ৫টার দিকে পরিবারের সবার তীব্র বমি ও ডায়রিয়া শুরু হয় এবং কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সবাই মারা যান।

ফরেনসিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, চিকিৎসকরা তাদের শরীরে জিঙ্ক ফসফাইটের আলামত পেয়েছেন, যা ইঁদুর মারার জন্য বিষাক্ত রাসায়নিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসকরা মৃতদের শরীরে এই বিষাক্ত রাসায়নিকের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন।

পরিবারটির খাওয়া তরমুজের নমুনায়ও ‘জিঙ্ক ফসফাইট’ পাওয়া গেছে। এই রাসায়নিক কি দুর্ঘটনাবশত তরমুজে মিশেছে, নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে ঢোকানো হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

প্রাথমিক ফরেনসিক পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, মৃত ব্যক্তিদের মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড এবং অন্ত্রসহ বেশ কিছু অঙ্গ সবুজ হয়ে গেছে; যা বিষক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া আবদুল্লাহ দোকাদিয়ার শরীরে ‘মরফিন’র উপস্থিতি পাওয়া গেছে। মরফিন এক ধরনের শক্তিশালী ব্যথানাশক; যা সাধারণত কঠোর চিকিৎসাগত নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এই মরফিন তার শরীরে কীভাবে এলো, আগে থেকে কোনও চিকিৎসা চলছিল নাকি কোনো সন্দেহজনক বিষয় রয়েছে সেটিও খতিয়ে দেখছেন তারা।

এই ঘটনায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। ওই রাতে নৈশভোজে আসা অতিথিদের জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়েছে। তবে অতিথিরা সবাই সুস্থ আছেন। পুলিশ বলছে, দোকাদিয়ার বাসায় আসা অতিথিরা কেবল পোলাও খেয়েছিলেন। তারা তরমুজ খাননি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102