শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা যেকারণে ১ মে পালন করে না শনিবার সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ, বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী ইতালিতে পারিবারিক দ্বন্দ্বে ছোট ভাই খুন, ভিডিও কলে পরিবারকে দেখালেন বড় ভাই হোটেলের বাথরুমে নারীদের গোসলের ভিডিওধারণ, দুই ক্রিকেটার আটক যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি, কোন পথে বিএনপি সরকার? ২০ বছর পর আসছে ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’র দ্বিতীয় সিনেমা যে চমকে বাস্তবায়ন হচ্ছে নতুন পে-স্কেলের প্রথম ধাপ এসি বাসে বাধ্যতামূলক ইমার্জেন্সি ডোর, নন-এসিতে স্টিল রড অপসারণের নির্দেশ শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা যেকারণে ১ মে পালন করে না

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬

উনিশ শতকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন দ্রুত এগোলেও শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য তেমন কোনো নিয়মকানুন ছিল না। ফলে সেই সময়ের শ্রমিকদের শোচনীয় মজুরি ও দীর্ঘ, ক্লান্তিকর কর্মঘণ্টা সহ্য করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসে পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে, যখন হাজার হাজার শ্রমিক দৈনিক কাজের সময় নির্দিষ্ট ও মানবিক সীমায় আনার দাবিতে শিকাগোর রাস্তায় নেমে আসে।

হেমার্কেট দাঙ্গার সময় একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা ব্যাপক দমনপীড়নের সূচনা করে। এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষেরই প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত করে।

উত্তর আমেরিকায় তারিখ ভিন্ন কেন?

একটি বৈপরীত্য হলো- যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আন্দোলনের সূচনা, সেই দেশেই ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রমিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবারকে বেছে নিয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ১৮৮৬ সালের তুলনামূলকভাবে সংগ্রামী শ্রমিক আন্দোলনের আদর্শ থেকে দূরে রাখা।

অন্যদিকে, ফ্রান্স বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশগুলো ১ মে-কে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গ্রহণ করে, যেখানে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিন্তু উত্তর আমেরিকায় এই তারিখটিকে দীর্ঘদিন ধরে তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।

২০২৬ সালের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ

বর্তমানে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের আলোচনা নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান শ্রমবাজারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

যদিও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের মতো ঐতিহাসিক অর্জন এখনো বিদ্যমান, তবুও মজুরির বৈষম্য এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত ও আধুনিক উদ্যোগ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102