রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে সংঘর্ষ, ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার সেইফকন ২০২৬ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে ভাইয়া গ্রুপ তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের কোনো সম্পর্ক নেই : অর্থমন্ত্রী বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি ‘জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কাছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ লক্ষ্মীখালী ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরুর দাবিতে মানববন্ধন, এলজিইডির প্রকৌশলীকে প্রত্যাহারের দাবি রোববার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থালাপতি বিজয়ের নামে চেন্নাই পুলিশের মামলা মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের জয়জয়কার, রেড কার্পেটে ভাবনা সৌদিতে পৌঁছেছে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

তেলের অভাবে যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে শীতলক্ষ্যায় খেয়া পারাপার

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ শহর থেকে বন্দর উপজেলাকে পৃথক করেছে শীতলক্ষ্যা নদী। জীবিকার তাগিদে এই নদী পার হয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন খেয়াঘাট দিয়ে লক্ষাধিক মানুষকে এপার-ওপার যাতায়াত করতে হয়। তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল সংলগ্ন সেন্ট্রাল খেয়াঘাট দিয়েই বেশির ভাগ মানুষ পারাপার হয়। এই পারাপারের অন্যতম বাহন হচ্ছে নৌকা ও বিআইডাব্লিউটিএর ইজারাকৃত ট্রলার। তবে জ্বালানি তেলের অভাবে যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে ট্রলার চলাচল। যার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হবে বিপুল সংখ্যক মানুষকে।

ঘাটের ইজারাদার দিদার খন্দকার জানান, টোল সংগ্রহের হিসেবে দৈনিক এ ঘাট দিয়ে অন্তত ৩০ হাজার যাত্রী কেবল ট্রলার দিয়েই পারাপার হন। ঘাটটি প্রতিবছর ইজারা দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

তিনি বলেন, এতদিন পর্যন্ত যে জাহাজ থেকে তেল নিতাম তা গত একমাস ধরে বন্ধ আছে। কোথাও তেল পাচ্ছি না। গত কয়েকদিন ১২২ থেকে ১৩০ টাকায় ডিজেল কিনেছি। কিন্তু এ মুহূর্তে তেলের খুবই সংকট। এ ঘাটে সাতটি ট্রলার সকাল ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত টানা যাত্রী পারাপার করে।

যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় খেয়াঘাট দিয়ে শহর ও বন্দরের যাত্রীরা নিয়মিত পারাপার হন। ইঞ্জিনচালিত ট্রলারের পাশাপাশি নৌকা দিয়েও এ ঘাট পার হন লোকজন। ট্রলারে জনপ্রতি ২ টাকা এবং নৌকায় জনপ্রতি ১০ টাকা দিয়ে পার হন তারা।

শহরে সেলুনে কাজ করেন বন্দরে বসবাস করা রাজু চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, প্রতিদিন আসা যাওয়া বাবদ ২ টাকা করে ৪ টাকা দিয়ে আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে পার হতে পারি।

নয়ামাটিতে হোসিয়ারিতে চাকরি করেন বন্দরের রূপালি এলাকার নয়ন হোসেন। তিনি বলেন, ট্রলার বন্ধ হয়ে গেলে প্রতিদিন ১০ টাকা করে ২০ টাকা দিয়ে আমাদের পারাপার হতে ওপর চাপ পড়ে যাবে।

যোগাযোগ করা হলে দিদার খন্দকার বলেন, বন্দর উপজেলার ইউএনও মহোদয় ১০০ লিটার তেলে ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, যা আজকে পর্যন্ত চলবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন ৭টি ট্রলার দিন-রাত চালাতে ১৩০ থেকে ১৩৫ লিটার ডিজেল লাগে। তাদের কাছে যে পরিমাণ ডিজেল মজুত আছে তাতে শনিবার দুপুর পর্যন্ত ট্রলার চালানো সম্ভব। এই সময়ের মধ্যে নতুন মজুত না পেলে যাত্রী পারাপার ব্যাহত হবে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বন্দর উপজেলার ইউএনও শিবানী সরকার জানান, আপৎকালীন হিসেবে আমরা কিছু ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য ইজারাদারকে পরামর্শ দিয়েছি বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে। এ ছাড়াও জেলা প্রশাসকের সভায় বিষয়টি উত্থাপন করা হবে যাতে জনভোগান্তি না হয়।

নারায়ণগঞ্জ বিআইডাব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাকে অবগত করা হয়নি এখনো। ডিজেলের তো সংকট ওভাবে নেই। তারপরও প্রয়োজনে এ বিষয়ে আমরা প্রশাসন ও পাম্পে চিঠি দেব, সুপারিশ করব। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে আমরা বিকল্প ব্যবস্থা করব।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102