যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের পড়াশোনা করতে হবে। মান্ধাতা আমলের পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে, তা না হলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার এমন মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (লেভেল-১, সেমিস্টার-১) শ্রেণিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের নূর হোসেন হল মাঠে এ ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম ও বিভিন্ন সহায়ক সেবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যা। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. নওশের ওয়ান, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) প্রফেসর ড. এস. এম. এমদাদুল হাসান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির এবং প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার।
অনুষ্ঠানের সূচি অনুযায়ী, সকাল ১১টায় অতিথি ও শিক্ষার্থীদের আসন গ্রহণের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ, প্রধান ও বিশেষ অতিথিদের বরণ এবং নবাগত শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিক বরণ অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, আই ওয়ান্ট টু সি এভরিথিং। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে কাজ করছে তা দেখার জন্য আমি মন্ত্রণালয়ে একটি সেল গঠন করছি। ইউজিসির রিপোর্ট আমি নেব, পাশাপাশি আমার নিজস্ব রিপোর্টও থাকবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, আমাদের জনসংখ্যার অভাব নেই, ছাত্রছাত্রীরও অভাব নেই। অন্য অনেক দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংকট থাকলেও আমাদের সে সমস্যা নেই। বিশ্বায়নের যুগে এগিয়ে যেতে আমাদের কোনো বাধা নেই। তবে এই যুগে টিকে থাকতে না পারলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার বাজেটের কথা বলেছে, কিন্তু আমি দেখলাম আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ চাননি। আমার কাছেও তো চাওয়া উচিত। সব জায়গায় এখনো সেই পুরোনো চিন্তা শুধু ভবন, ভবন আর ভবন। কিন্তু মানসম্মত শিক্ষার দিকে গুরুত্ব কম। এই জায়গায় আমরা অত্যন্ত দুর্বল।