বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদে অসুস্থ হওয়া বিরোধী দলীয় এমপির খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টিভেজা দিনে পাতে ধোঁয়া ওঠা খিচুড়ি যেন বাঙালির পরম আবেগ হঠাৎ ব্লাড প্রেশার ওঠানামা করলে কী করণীয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি সংসদে আনা হোক : রুমিন ফারহানা বজ্রপাত হওয়ার সময় কী করেন বিমানের পাইলটরা কখন গোসল করা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী, বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন ? ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন ব্যাংকে বোনের কঙ্কাল নিয়ে যাওয়া ভাই পেলেন ৪০ হাজার টাকা ‘হাওরাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাস সহায়তা দেবে সরকার’ ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক যেন ভালো না হয়: আসামের মুখ্যমন্ত্রী

দেশে কত দিনের তেল মজুত আছে?

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার কারণে পুরো বিশ্বে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। রাষ্ট্রগুলোতে তেল ও গ্যাসের ঘাটতির কারণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে। বাংলাদেশেও এই সংকটের প্রভাব পড়েছে। চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের মজুত কত এবং কত দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব?

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৯২ হাজার ম্যাট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত আছে।

এর মধ্যে ডিজেল ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ ম্যাট্রিক টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ ম্যাট্রিক টন, পেট্রোল ১১ হাজার ৪৩১ ম্যাট্রিক টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯ ম্যাট্রিক টন।

তিনি আরও জানান, দেশে প্রতি মাসে এলপিজির চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ম্যাট্রিক টন। মার্চ মাসে এলপিজির আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৯৪ ম্যাট্রিক টন।

এর আগে ২৭ মার্চ যশোরে এক অনুষ্ঠানে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, দেশে প্রতিদিন গড়ে ডিজেলের চাহিদা ১২ হাজার ম্যাট্রিক টন, আর পেট্রোল ও অকটেনের চাহিদা ১২০০ থেকে ১৪০০ ম্যাট্রিক টন।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের নিয়মিত ডিজেলের গড় চাহিদা ১২ হাজার ম্যাট্রিক টন। এর মানে, বর্তমানে থাকা ডিজেল মজুত প্রায় ১১ দিনের মতো চলবে। তবে এটি নির্দেশ করে না যে, জ্বালানি তেলের মজুত শূন্য হয়ে যাবে।

এদিকে সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে ৩০ হাজার ম্যাট্রিক টন এবং মার্চে ভারত থেকে ২২ হাজার ম্যাট্রিক টন ডিজেল পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশে এসেছে, যা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন নিশ্চিত করেছে।

মনির হোসেন চৌধুরী জানান, প্রতিদিনের ব্যবহার এবং নতুন সরবরাহের কারণে স্টকে তেল যুক্ত হচ্ছে। সরকার এই মুহূর্তে মাসভিত্তিক চাহিদা পূরণকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ডিজেলে কোনো সংকট নেই, বরং পাচারের শঙ্কা থাকতে পারে, যা সরকার বিবেচনায় রেখেছে। সীমান্তে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলেন, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী একটি দেশে অন্তত ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত থাকা উচিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্টোরেজ সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ দিনের বেশি তেল মজুত রাখা সম্ভব নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102