দামে ভালো ও লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছরই নাটোরে বাড়ছে পেঁয়াজের কদমের (বীজ) চাষ। এ বছর শুধু নলডাঙ্গা উপজেলাতেই পেঁয়াজ বীজের চাষ বেড়েছে ৭৮ হেক্টর জমিতে।
উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, পেঁয়াজের ফুলকে সবাই কদম বলে থাকে। এই কদম থেকে পেঁয়াজের বীজ হয়। গত বছর বেশ ভালো দাম পেয়েছিলেন চাষিরা। তাই এ বছর বেড়েছে পেঁয়াজ বীজের চাষ। পেঁয়াজের বীজ চাষে মৌমাছির পরাগায়ন নিয়ে নতুন চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
নলডাঙ্গা কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের সব সময় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। তুলনামূলকভাবে বীজের দাম বেশি থাকে বাজারে। গত বছর পেঁয়াজের বীজ বাজারে বিক্রি হয়েছে সাড়ে ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা কেজি দরে।
উপজেলার হরিদাখলসি গ্রামের কৃষকরা বলে, প্রতি বছর পেঁয়াজের (কদম) চাষ করি আমরা, ফলনে লাভও ভালো পাই। এ বছর ৯ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের কদম চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভবান হওয়ার আশা কিন্তু সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি বৈশাখ মাসে শিলাবৃষ্টি নিয়ে। শিলাবৃষ্টি হলে পেঁয়াজের কদম নষ্ট হয়ে যায়। পেঁয়াজের কদমের বীজ আমাদের কাছে কালো সোনা হিসেবে পরিচিত। অন্য সব ফসলের চেয়ে বেশি দাম হওয়ায় আমাদের কাছে এটি সোনার মতো।
নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সবুজ আলী বলেন, এ বছর নলডাঙ্গা উপজেলাতেই পেঁয়াজ বীজের চাষ বেড়েছে ৭৮ হেক্টর জমিতে। উপসহকারী কৃষি কর্মকতারাও মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সহযোগিতা ও পরার্মশ দিচ্ছেন। এ বছরও কদমের ভালো ফলন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি বিভাগ সব সময় কৃষকদের পাশে রয়েছে।