ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপির নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হচ্ছে। নতুন সরকার গঠনকে ঘিরে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদধারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে জনমনে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ আরও বাড়ে।
প্রধানমন্ত্রী ‘দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স (রেমুনারেশেন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন, ১৯৭৫’ এবং মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা ‘দ্য মিনিস্টারস, মিনিস্টার অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন, ১৯৭৫’ অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। বিভিন্ন সময়ে আইনটি দুটি সংশোধন হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংশোধন করা হয়।
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপমন্ত্রীরা যেসব সুবিধা পান
একজন মন্ত্রী মাসে বেতন পান এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা। প্রতিমন্ত্রীরা প্রতি মাসে বেতন পান ৯২ হাজার টাকা। একজন উপমন্ত্রী বেতন পান ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী কাউকেই তাদের বেতনের জন্য কোনো কর দিতে হয় না।
এ ছাড়া একজন মন্ত্রীর দৈনিক ভাতা দুই হাজার টাকা, নিয়ামক ভাতা মাসিক ১০ হাজার টাকা, স্বেচ্ছাধীন তহবিল ১০ লাখ টাকা, মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন।
সরকারি খরচে সার্বক্ষণিক গাড়ি থাকে। ঢাকার বাইরে অফিসিয়াল ট্যুরের জন্য অতিরিক্ত একটি জিপগাড়ি পাবেন, যার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করবে।
গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ সরকারি বাসভবনের যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে। সরকারি বাসায় না থাকলে বাড়ি ভাড়া বাবদ ৮০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরনের সেবা খাতের বিল পাবেন একজন মন্ত্রী।