রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্র ও ভোটের স্লিপ নম্বর অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে ইরানের সঙ্গে খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে : ট্রাম্প শাহবাগ ছাড়লেন জুলাই ঐক্যের নেতাকর্মীরা নির্বাচনি দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর ডা. শফিকুর রহমান–মিল্টনের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস এপস্টেইন-কাণ্ডে নিজেদের সাক্ষ্য সরাসরি প্রচার চান ক্লিনটন দম্পতি কোনো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে না : নির্বাচন কমিশনার বিএনপি সরকার গঠন করলে দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে : তারেক রহমান আক্রান্ত হলে আশপাশের সব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের পরকীয়ার বলি তিন বছরের শিশু সন্তান

আক্রান্ত হলে আশপাশের সব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

পরোক্ষ আলোচনার বৈঠক শেষ করেই পুনরায় পাল্টাপাল্টি হুমকিতে লিপ্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তেহরানকে আরও দুর্বল করতে দেশটির তেল রপ্তানিকে টার্গেট করেছে ওয়াশিংটন, এই জ্বালানি পরিবহনে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বাড়িয়ে দিয়েছে উত্তেজনা।

পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানও। আক্রান্ত হলে পশ্চিম এশিয়ায় সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে টার্গেট করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) কাতারের রাজধানী দোহায় ‘আল জাজিরা ফোরাম’-এর ১৭তম আসরের এক পার্শ্ববৈঠকে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

আব্বাস আরাগচি সতর্ক করে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো আগ্রাসন চালায়, তবে আশপাশের আমেরিকান সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এসব ঘাঁটি আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে।’

তিনি বলেন, তেহরান প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ডে আক্রমণ করবে না; বরং যেখানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেই আঘাত হানবে। ইরানি সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো আক্রমণের দাঁতভাঙা জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

ইরানের এ শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র শুরু থেকেই স্পষ্ট করে বলেছে যে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনার সুযোগ নেই, কারণ এটি সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক বিষয় এবং যেকোনো আলোচনার আওতার বাইরে।

তিনি আরও বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা ইরানের একটি অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকা উচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এমনকি সামরিক হামলা চালিয়েও ইরানের এ সক্ষমতা নষ্ট করা সম্ভব হয়নি।

আব্বাস আরাগচি স্পষ্টভাবে জিরো-পারসেন্ট ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ধারণা প্রত্যাখ্যান করে বলেন, বিষয়টি আলোচনার পরিধির বাইরে।

বক্তব্যের অন্য এক অংশে তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু আলোচনার নতুন ধাপের কথা উল্লেখ করেন, যা একদিন আগে ওমানের রাজধানী মাসকটে শেষ হয়েছে।

তিনি আলোচনাটিকে একটি ‘ভালো শুরু’ হিসেবে বর্ণনা করলেও সতর্ক করে দেন যে, আস্থা তৈরির জন্য সামনে একটি দীর্ঘ পথ বাকি আছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই আলোচনা ছিল পরোক্ষ এবং তা শুধু পরমাণু ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ ছিল।

তেহরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে, দৃশ্যমান অর্থনৈতিক সুবিধা নেই এমন কোনো চুক্তির বাস্তব কোনো মূল্য নেই। ফলে আলোচনার সময়কাল এবং এর ফলাফল ইরানের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

পরমাণু কর্মসূচি ইস্যুতে ইরান নিজের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার আইনি অধিকারের ওপর অনড় আছে এবং বিষয়টিকে আলোচনার চূড়ান্ত সীমা হিসেবে অভিহিত করেছে। তেহরানের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, যেকোনো সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা কেবল তখনই বিবেচনা করা হবে যখন এ অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া হবে। এর বাইরে যেকোনো পূর্বশর্তকে অন্য পক্ষের অসততার লক্ষণ হিসেবে দেখা হবে।

জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইরান এবং এর পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলার আগে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ইরান পাঁচ দফা আলোচনা করেছিল।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102