১৭ বছর পর দেশের মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের নাম।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন লিখেছেন, গত কয়েক দিন কাজের ব্যস্ততা ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কেটেছে। এ সময়ের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, এমন সব প্রজেক্টে তিনি যুক্ত হয়েছেন, যেগুলো তাকে সত্যিকার অর্থে অনুপ্রাণিত করছে।
তিনি লেখেন, গত বছর তিনি দুটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে একটি ইতোমধ্যেই রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। অন্য চলচ্চিত্রটি আরও বড় কোনো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে জায়গা করে নেবে বলে তিনি আশাবাদী।
তার মতে, এই সাফল্য কোনো ভাগ্যনির্ভর ঘটনা নয়; বরং বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম, ধারাবাহিকতা ও সততার ফল।বাঁধন লেখেন, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রের পর একজন অভিনেত্রী হিসেবে তার পথচলা আমূল বদলে গেছে। এই পরিবর্তন এসেছে দীর্ঘদিনের অধ্যবসায়ের মাধ্যমে, কোনো শর্টকাট পথে নয়। একই সঙ্গে শিল্পাঙ্গনের কিছু নেতিবাচক দিক নিয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেন বাঁধন।
তিনি লেখেন, উন্নতির পরিবর্তে ঈর্ষা, চরিত্রহনন ও অবমাননার সংস্কৃতি সৃজনশীল সমাজকে দুর্বল করে তোলে, যা রাজনীতির নেতিবাচক প্রবণতার প্রতিফলন। এই জায়গা থেকে বেরিয়ে এসে ভালো কিছু করার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়েও নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে তিনি নতুন আশার কথা বলেন। বাঁধনের ভাষায়, দেশের শোক, অবিচার ও অনিশ্চয়তার মাঝেও এই প্রত্যাবর্তনে তিনি এক ধরনের আশার আলো খুঁজে পেয়েছেন।
তিনি তারেক রহমানের পারিবারিক আচরণ ও ব্যক্তিগত কিছু বিষয় উল্লেখ করে লেখেন, স্ত্রী ও কন্যার প্রতি সম্মান প্রদর্শন, বিশেষ আসনের পরিবর্তে সাধারণ প্লাস্টিক চেয়ারে বসা এবং তাদের পোষা প্রাণীর প্রতি মমতা তার হৃদয় স্পর্শ করেছে। তার মতে, সহমর্মিতা ও নেতৃত্বের চর্চা ঘর থেকেই শুরু হয়।
পোস্টের শেষাংশে বাঁধন লেখেন, এসব বিষয় দেখতে ছোট মনে হলেও রাজনীতিতে এর তাৎপর্য অনেক। এগুলো ইঙ্গিত দেয় ক্ষমতা কেবল বিশেষ সুবিধার জন্য নাকি মানুষের সেবার জন্য।
Azmeri Haque
The last few days have been full — shooting, traveling, planning, and balancing life — and I feel deeply grateful. I’m working on projects that truly inspire me. Last year, I was part of two powerful films: one has already been selected for the Rotterdam International Film Festival, and I believe the other will reach an even bigger international platform. None of this is luck — it’s the result of years of work, consistency, and honesty.
After Rehana, my journey as an actor opened up in ways I never even dreamed of. These opportunities came from resilience, not shortcuts. And yes — it’s painful to see some artists choose jealousy, character attacks, and humiliation instead of growth. That toxic culture weakens our creative community — and it mirrors the worst parts of our politics. I truly hope they pause, heal, and choose something better.
Our country has faced grief, injustice, and uncertainty. We all felt it. But in the midst of that pain, I found a sense of renewed hope with the return of Tarique Rahman and his family. I noticed his inclusive tone, the respect he showed toward his wife and daughter, and the humility of sitting on a simple plastic chair instead of the seat prepared for him. Even the affection they showed their pet cat spoke to me — compassion and leadership both begin at home.
These gestures may look small, but in politics they mean something. They signal whether power is about privilege — or about people. This time, I hope our leaders prove that accountability, empathy, and courage are not just words. Our country deserves leadership that serves — not rules.
Life is still beautiful. Peace is precious — and it needs protection. Happiness is a choice, and today I choose hope, responsibility, and strength. ❤️
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের নেতারা প্রমাণ করবেন, জবাবদিহিতা ও সহমর্মিতা শুধু শব্দ নয়, বাস্তব চর্চা। তার মতে, দেশ এমন নেতৃত্বের যোগ্য, যারা শাসন নয়, সেবা করবেন। জীবন অত্যন্ত মূল্যবান, তাই একে রক্ষা করাই হওয়া উচিত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।