ইরানের পার্লমেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় উঠে আসছেন। চলমান যুদ্ধের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কিছু অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসন গালিবাফকে একজন সম্ভাব্য অংশীদার এবং এমনকি ইরানের ভবিষ্যতের একজন নেতা হিসেবেও বিবেচনা করেছিল।
পাকিস্তানের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির পাশাপাশি গালিবাফকেও ইসরায়েলের হিট লিস্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তানের সূত্রটি বলেছে, ‘ইসরায়েলিদের কাছে তাদের অবস্থান জানা ছিল এবং তারা তাদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে বলেছি, যদি তাদেরও নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়, তাহলে কথা বলার মতো আর কেউ থাকবে না। তাই যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলিদের পিছিয়ে যেতে বলেছে।’
কে এই বাঘের গালিবাফ?
ইরানের রক্ষণশীল নেতা হিসেবে পরিচিত বাঘের গালিবাফ ২০২০ সালের মে মাস থেকে দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি চারবার প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন করেছিলেন।
১৯৬১ সালে জন্ম নেওয়া গালিবাফ ১৯৮০ সালে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরে (আইআরজিসি) যোগ দেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় তিনি আইআরজিসির অন্যতম কমান্ডার হিসেবে পরিচিতি পান। গালিবাফ একজন পেশাদার বৈমানিক। ১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত আইআরজিসির বিমান বাহিনীর কমান্ডার এবং ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইরানের পুলিশপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
তেহরানের মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন গালিবাফ। এ সময় দুর্নীতির কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দিতে আইআরজিসিতে নিজের পদমর্যাদা ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।