বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার নিয়োগে নীতিমালা সংশোধন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ১৮ বছর করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এতে আগে পূর্বের আবেদন বাতিল হয়ে গেছে। এর ফলে ৮৬ হাজার শিক্ষকের আবেদন ফির ৩৫০ টাকা (৩ কোটি এক লাখ) করে ফেরত দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) একটি সূত্র জানিয়েছে, নীতিমালায় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার বড় পরিবর্তন করায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূর্বের আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। আর আবেদন বাতিল হলে অর্থ ফেরত দিতেই হবে।
কোন প্রক্রিয়ায় অর্থ ফেরত দেবে মন্ত্রণালয় সে বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মোবাইল ব্যাংকিং অপারেটর বিকাশ অথবা নগদের মাধ্যমে এ অর্থ ফেরত দেওয়া হতে পারে।
অন্তর্বর্তী সরকার আগে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সরকার-সমর্থিত একজন সংসদ সদস্য ও বেসরকারি শিক্ষক নেতাদের আপত্তির মুখে সরকার এ বিষয়ে সমন্বিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় নিয়োগ এনটিআরসিএর মাধ্যমেই হবে, তবে প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে অভিজ্ঞতার শর্ত বাড়ানো হয়েছে।
আগে এসব পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হলেও এখন তা বাড়িয়ে ১৮ বছর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ হলে তুলনামূলকভাবে জুনিয়র শিক্ষকরা এগিয়ে যেতে পারেন— এমন ধারণা থেকেই অভিজ্ঞতার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।