মায়ের মর্যাদা ও নারীর সম্মানে আঘাত এলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা-১৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর ঢাকা–১৫ (মিরপুর–কাফরুল) আসনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও প্রচার মিছিল শেষে আয়োজিত এক আলোচনা এ কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের আন্দোলনে কে কোন অভিধানে বিশ্বাস করে জানি না, তবে এ দেশের মায়েদের অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয়। জুলাইয়ের ১৫ তারিখ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর হামলা করা হয়, সেদিন রোকেয়া হল ও শামসুন্নাহার হল থেকে যে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, সেটিই গোটা বাংলাদেশকে জাগিয়ে তুলেছিল।
তিনি বলেন, সবকিছু সহ্য করা হলেও মায়ের ইজ্জতে টান দিলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি অভিযোগ করেন, অপকর্মের প্রতিবাদ করায় তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে নোংরা অপপ্রচার চালানো হয়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং জাতির সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হবে।
জামায়াত আমির বলেন, হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টকে যেমন পরোয়া করা হয়নি, তেমনি অন্য কোনো ফ্যাসিস্টকেও পরোয়া করার প্রশ্নই আসে না। ন্যায়ের পথে লড়াই অব্যাহত থাকবে।
আগামী ১২ তারিখকে পরিবর্তনের দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেদিন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি আর ‘না’ মানে গোলামি—এই প্রশ্নের চূড়ান্ত মীমাংসা হবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দ্বিতীয় ভোট সেই পচা ব্যবস্থার পক্ষে যাবে না। যারা এখনো সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির রাজনীতি করে, তাদের হাতে আর দেশ তুলে দেওয়া হবে না। সারাদেশে গণজোয়ার শুরু হয়েছে, মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে এই জোয়ার থামানো যাবে না।
তিনি বলেন, জনগণ ইনসাফের পক্ষে দাঁড়িয়ে গেছে, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন। জয় হবে জনতার, জয় হবে আঠারো কোটি মানুষের। তিনি ১২ তারিখ ভোটের দিন ব্যালটের পাহারা দিয়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানোর এবং ফলাফল হাতে না নিয়ে ঘরে না ফেরার আহ্বান জানান।