সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন

ইরানের শক্তি কোথায়, মিলল বিস্ফোরক তথ্য!

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

গোটা মধ্যপ্রাচ্যের ধনী দেশগুলো যখন আমেরিকার আঁচলের তলায় নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে নিয়েছে, তখন শত শত নিষেধাজ্ঞা কাঁধে নিয়েও ইরানের অবস্থান নিপীড়িতের পক্ষে। বহির্বিশ্বের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্যে নানা বাধায় বর্তমানে ইরানের অর্থনীতি তলানিতে, কিন্তু ইরান প্রতিজ্ঞা করেছে—প্রাণ গেলেও তারা মান দেবে না। নিজস্ব প্রযুক্তিতে দেশটি গড়ে তুলেছে হাজার হাজার মিসাইল ও ড্রোনের সাম্রাজ্য যেগুলো আজ আয়াতুল্লাহ খামেনিকে শক্তি দিচ্ছে যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে।

সামরিক নীতি ও পারমাণবিক অস্ত্রের অবস্থানের কারণে ইরান আজ জোর গলায় বলছে, প্রতিরক্ষায় তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের প্রয়োজন নেই। এটি ছাড়াই নিজেদের সুরক্ষা নিজেরাই নিশ্চিত করতে তারা সক্ষম।

ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামী দৃঢ় কণ্ঠে বলেছেন, ‘পারমাণবিক অস্ত্রের কোনো ধরনের ব্যবহার ছাড়াই নিজেদের সুরক্ষা দিতে সক্ষম ইরান।’

দেশটির সামরিক নীতিতেও পারমাণবিক অস্ত্রের কোনো স্থান নেই। মূলত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যাপারে ফতোয়া আছে; কেননা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে পারমাণবিক অস্ত্রের কোনো বৈধতা নেই।

প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও যুদ্ধের প্রস্তুতি শক্তি বিবেচনায় ইরানকে দুর্বল ভাবলে প্রতিপক্ষ ভুল করবে। প্রতিহত করার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা নিয়েই যুদ্ধের ময়দানে কোমর বেঁধে নামার অপেক্ষায় খামেনির যোদ্ধারা। কৌশলগতভাবেই নিজেদের সবটুকু দিয়ে সেই সক্ষমতা অর্জন করেছে তারা।

ইরানের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের সামরিক সক্ষমতা, যা পারমাণবিক ও রাসায়নিক অস্ত্র ছাড়া কেবল প্রচলিত বা সাধারণ অস্ত্র ও পন্থার ওপর নির্ভরশীল।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, সামরিক প্রেক্ষাপটে তারা নিজেদের স্থলবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, মিসাইল, রকেট, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং সাইবার ও ইলেকট্রনিকভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম।

ইরানের সামরিক শক্তির পরিসংখ্যান

মিসাইল ও ড্রোন: মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মিসাইল শক্তি হিসেবে খ্যাত ইরানের আছে অন্তত কয়েক হাজার ব্যালস্টিক ও ক্রুজ মিসাইল। বিশ্বের শীর্ষ ড্রোন উৎপাদনকারী ও ব্যবহারকারী হিসেবে আছে হাজার হাজার কামিকাজে, নজরদারি ও স্ট্রাইক ড্রোন।

সেনাশক্তি: নিয়মিত ও আইআরজিসি মিলিয়ে সক্রিয় আছে প্রায় ৬ লাখের মত সেনা। রিজার্ভ ও আধা সামরিক হিসেবে প্রস্তুত আছে ১৫ লাখের অধিক বাসিজ সেনা।

নৌ ও বিমান প্রতিরক্ষা: হরমোস প্রণালীকে অচল করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে ইরানের নৌবাহিনী। বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর দিক দিয়েও বেশ শক্ত অবস্থানে আছে তেহরান।

প্রক্সি নেটওয়ার্ক: লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে আছে ইরানের প্রক্সি নেটওয়ার্কের উপস্থিতি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102