চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এ সময় তার সঙ্গে একটি প্রতিনিধি দলও উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে তারা বন্দর ভবনে চেয়ারম্যানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে বন্দর ভবনে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান।
তিনি বলেন, গত বছর চট্টগ্রাম বন্দরে হ্যান্ডলিং রেকর্ড অর্জন, জাহাজের ‘টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম’ হ্রাস, ‘ডুয়েল টাইম’ কমানো, ‘পোর্ট লিমিট’ বৃদ্ধি, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন, পানগাঁও আইসিটি ও লালদিয়া কন্টেইনার টার্মিনালে বিদেশি অপারেটর নিয়োগ, বে-টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন এবং ডিজিটাইজেশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ও বে-টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সঙ্গে সরাসরি জাহাজ চলাচলের সুযোগ পাবে এবং প্রতিবেশী দেশের মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে এটি ‘দক্ষিণ এশিয়ার নৌ-বাণিজ্য হাব’-এ পরিণত হবে, যা দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দরের পরিচারক প্রশাসন ওমর ফারুক বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বন্দরকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।