বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ আসনে ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে গণঅধিকার পরিষদ জাতিসংঘ সংস্থার সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দিল ইসরায়েল বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাবিত ২০ গ্রেডের নতুন সরকারি বেতন স্কেল দেখে নিন ইবির দুর্নীতি ও অনিয়মের পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির ৫৯ নেতাকে বহিষ্কার দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে সেনাপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে ‘নবম জাতীয় বেতন কমিশন’ প্রতিবেদন পেশ বরিশালে চূড়ান্ত লড়াইয়ে ৩৬ প্রার্থী, পেলেন প্রতীক বরাদ্দ

‘কারিনা আমার স্ত্রী ছিলেন’— দাবি পাকিস্তানি মুফতির

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় থাকা ‘মুফতি’ আবদুল কাভি এবার আরও বিস্ময়কর দাবি তুললেন। তিনি বলেন, বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান তার স্ত্রী ছিলেন এবং তারা পরস্পরকে বিয়ে করেছিলেন।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে ‘মুফতি’ কাভি ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ও যোগাযোগ নিয়ে একাধিক দাবি করেন। সেখানে তিনি বলেন, তরুণ বয়স থেকেই তিনি সুদর্শন ছিলেন এবং একসময় তাকে ‘শেঠ শহিদ’ নামেও ডাকা হতো। তার দুবাইসহ ভারতীয় ব্যবসায়ী ও আলেম সমাজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

‘মুফতি’ কাভির ভাষ্য অনুযায়ী, তার ভারতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল এবং সেখানে গেলে তার নানা আকাঙ্ক্ষাও জেগে উঠত। এ সময় তার বন্ধুরা তাকে জিজ্ঞেস করত, তিনি কাকে চান।

পডকাস্টে তিনি দাবি করেন, ১৯৯৬ সালে কারিনা কাপুরের সঙ্গে তার প্রথম যোগাযোগ গড়ে ওঠে। সে সময় করিনার বয়স আনুমানিক ২১ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে ছিল। পরে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়।

তিনি বলেন, হিন্দুদের কাছেও আসমানি কিতাব রয়েছে এবং শরিয়ত অনুযায়ী মুসলমানরা হিন্দু নারীদের বিয়ে করতে পারেন। সেই অনুযায়ী তিনিও কারিনা কাপুরের সঙ্গে নিকাহ করেছিলেন। মুফতি কাভি দাবি করেন, কারিনা কাপুর ‘পাকিস্তানের ভাবি’ ছিলেন, কারণ তিনি তার স্ত্রী ছিলেন এবং তার নিকাহে ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, হয়তো ‘শেঠ শহিদ’ নামটি কারিনা কাপুরকে প্রভাবিত করেছিল। তখন কারিনা কাপুর এখনকার মতো বড় তারকা ছিলেন না, সে কারণেই তাদের নিকাহ সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

মুফতি কাভি আরও দাবি করেন, কারিনা কাপুর ও সাইফ আলী খানের বিয়ের সময় ভারতের কিছু আলেম ওই বিয়েকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে তিনি নিজে সেই বিয়েকে হালাল বলে ফতোয়া দেন। কারিনা কাপুর তার নিকাহে ছিলেন, এ কারণেই তিনি প্রকাশ্যে সাইফ আলী খানের সঙ্গে কারিনার বিয়ের পক্ষে অবস্থান নেন বলেও দাবি করেন।

পডকাস্টে তিনি আরও বলেন, এখনো যদি ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পক্ষ থেকে নিকাহের প্রস্তাব আসে, তাহলে তিনি প্রস্তুত। কারণ শুরু থেকেই ঐশ্বরিয়া রাইকে তার পছন্দ ছিল। তবে কাভি কারিনাকে স্ত্রী দাবি করলেও তাদের মধ্যে কখন ও কেন তালাক হয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি।

সূত্র : ডন, দুনিয়া নিউজ

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102