বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ আসনে ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে গণঅধিকার পরিষদ জাতিসংঘ সংস্থার সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দিল ইসরায়েল বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাবিত ২০ গ্রেডের নতুন সরকারি বেতন স্কেল দেখে নিন ইবির দুর্নীতি ও অনিয়মের পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির ৫৯ নেতাকে বহিষ্কার দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে সেনাপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে ‘নবম জাতীয় বেতন কমিশন’ প্রতিবেদন পেশ বরিশালে চূড়ান্ত লড়াইয়ে ৩৬ প্রার্থী, পেলেন প্রতীক বরাদ্দ

কাউকে শিবির ট্যাগ দিলেই বুদ্ধিজীবীরা চুপ ছিল : সাদিক কায়েম

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫

ডাকসুর ভিপি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, ২০১৩ সালের শাহবাগ ও তথাকথিত কিছু বুদ্ধিজীবীরা দেশে স্বৈরাচারী হাসিনার ফ্যাসিবাদকে দীর্ঘায়িত করেছিল।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত শহীদ ইকরামুল হক সাজিদ স্মৃতি আন্ত: বিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, মুক্তির জন্যই আমরা বিগত ১৬ বছর লড়াই করেছি। কিন্তু সমাজের বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষকদের একটা অংশ ছিল মুক্তির পক্ষে কথা বললেও কৌশলে শেখ হাসিনার জুলুম নির্যাতনের পক্ষে সমর্থন দিছিল। এইসব বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে হিপোক্রেসি ছিল।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শিবির ট্যাগ দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছিল। এই ক্যাম্পাসে শিবির ট্যাগ দিয়ে বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়েছিল। শিবির বলে ট্যাগ দিলেই সকল বুদ্ধিজীবী চুপ হয়ে যেত। এভাবে তারা হিপোক্রেসি দেখিয়েছে। ২০১৩ সালের শাহবাগ ও বুদ্ধিজীবীদের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ দীর্ঘায়িত হয়েছিল।

ডাকসুর এই ভিপি আরও বলেন, সম্প্রতি গুম কমিশনের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এককভাবে জামায়াত আর শিবির মিলে দেশে সবচেয়ে বেশি গুম নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। আর বিএনপির পর আলাদা সংগঠন হিসেবে এককভাবে শিবির সবচেয়ে বেশি গুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। আমাদের অনেক ভাই এখনো গুম আছে।

সাদিক কায়েম বলেন, আমাদের নিজেদের মধ্যে যৌক্তিক আলোচনা পর্যালোচনা অব্যাহত রাখা দরকার। এই জন্য বিতর্কটি বেশি দরকার। সকল দলই এ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে আশা রাখি।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এখনো আমরা একাডেমিক ইনস্টিটিউট করতে পারেনি। আমাদের পাশের নেপালও শিক্ষা দীক্ষায় অনেক এগিয়ে। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে মেধার চর্চা হওয়া উচিত ছিল, তা আমরা পারিনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102