জামায়াতে ইসলামীর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী যেখানে দলটির জয়ের সম্ভাবনা বেশি, সেখানে তুলনামূলক বেশি বডি-ওর্ন ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। আর যেখানে বিএনপির অবস্থান তুলনামূলকভাবে দুর্বল, সেখানে ক্যামেরা কম বসানো হয়েছে। দলটির সহকারী
প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে দরখাস্ত দেওয়ার অজুহাতে জামায়াত-শিবির ও এনসিপির প্রার্থীর এজেন্টদের সাক্ষাৎ কেন? প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে জামায়াত-শিবির ও এনসিপির প্রার্থীর এজেন্টরা আজ রাতে প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে দরখাস্ত দেওয়ার অজুহাতে তার সঙ্গে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘প্রিয় দেশবাসী, লাইলাতুল গুজব চলছে।’ বুধবার রাতে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। তবে ঠিক কোন বিষয়কে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) এজিএস মহিউদ্দিন বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক একটি রাষ্ট্র। কোনো সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজের হাতে দেশ শাসিত হতে দেওয়া হবে না। যারা দিনের
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচনে জয়ী হলে ঢাকা-৮ আসনকে সৌদি আরবের মদিনার মতো করে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি)
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে বিএনপি সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল হক নুর বলেছেন, তারেক রহমান জাতীয় সরকার গঠনে আপনাদের সন্তানকে মন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি)
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস ইজাবসের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল
ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের ভোট চেয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে গণসংযোগ করেছেন স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ উল্যাহ চৌধুরী ফয়সাল। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে তারা ঢাকা-১৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার গঠন করতে পারলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিএনপি যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত দেশবাসীর উদ্দেশে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী এনায়েত উল্লাহ। তিনি মোরগ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানী কামাল