পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন পর তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে পারে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, টিএমসির তুলনায় বড়
২০২৬ সালে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে রয়টার্স, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। সোমবার (৪ এপ্রিল) এ বছরের পুলিৎজার বিজয়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। কলাম্বিয়া
ভারতের সংবিধানে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্য মন্ত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো কেন্দ্রীয় বেতন নির্ধারণ করা নেই। সংবিধান অনুযায়ী প্রতিটি রাজ্যের বিধানসভা নিজস্বভাবে মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণ করে।
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে থালাপতি বিজয়ের উত্থান তাকে অতীতের চলচ্চিত্র তারকাদের থেকে আলাদা করেছে। তার দল টিভিকে (তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম) একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তার স্পষ্ট বার্তা, স্বতন্ত্র অবস্থান
পশ্চিমবঙ্গে তুমুল সাফল্যের কারণে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সদর দপ্তরে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এ উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ধুতি-পাঞ্জাবি পরিহিত অবস্থায় দপ্তরে উপস্থিত হন, যা তাকে ‘বাঙালি
ভোট গণনার শেষ পর্যায়ে অভিযোগ তুলেছেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার দাবি, ভবানীপুর বিধানসভার গণনাকেন্দ্রে তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে এবং তৃণমূলের এজেন্টদের জোর করে বের করে দেওয়া
বাংলায় ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটেছে। পরিবর্তনের জোয়ারে প্রথমবারের মতো রাজ্যে ‘পদ্ম ফুটেছে’ বলে জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এদিকে ভোটে জয় পাওয়ার পরই খবর রটেছে, কে হবেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। সে নিয়েই চলছে
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতার কালীঘাটের বাসভবনের সামনে একদল লোক জড়ো হয়ে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দেওয়ার পর সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) বিকেলে নির্বাচন কমিশনের
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরালা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। সোমবার (৪ মে) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ভোট গণনা। গণনা শুরু হতেই চমকপ্রদ চিত্র উঠে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এখন পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় সোমবার দুপুর পৌনে ৩টা ) গণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে আছে ১৯৫ আসনে। আর তৃণমূল ৯২ আসনে এগিয়ে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা