ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুর বিধানসভা আসনে জয় পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে পরাজিত করার পর তিনি একে ‘হিন্দুত্বের জয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের
ভারতের রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। প্রায় পাঁচ দশক পর এই প্রথমবার দেশের কোনো রাজ্যেই ক্ষমতায় নেই বামপন্থীরা। শেষ শক্ত ঘাঁটি কেরালায় বাম জোটের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে একটি অধ্যায়ের
উত্তরপ্রদেশে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে মাওলানা তৌসিফ রাজা মাঝারির রহস্যজনক হত্যাকাণ্ডে ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীর কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এআইএমআইএম প্রধান ও সংসদ সদস্য আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। গত ২৬ এপ্রিলের এই
শেষ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে বিজেপির কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর এরই মধ্য দিয়ে দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় পরাজয়ের মুখোমুখি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু রাজ্যের
আগমী ২০ মে দেশজুড়ে ওষুধের দোকান বন্ধ রাখার ডাক দিয়েছে ওষুধ বিক্রেতাদের সর্বভারতীয় সংগঠন ‘অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অব কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট’। অনলাইন ফার্মেসির প্রসার রোধ এবং ওষুধ ব্যবসায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরালা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। সোমবার (৪ মে) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ভোট গণনা। গণনা শুরু হতেই চমকপ্রদ চিত্র উঠে
জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর ওরফে থালাপতি বিজয় যদি তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে জিততে পারেন, তবে তিনি এমন এক ইতিহাস গড়বেন যা গত ৪৯ বছরেও কোনো চলচ্চিত্র তারকা পারেননি। এমজি রামচন্দ্রনের পর বিজয়ই
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন পর তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে পারে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, টিএমসির তুলনায় বড়
২০২৬ সালে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে রয়টার্স, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। সোমবার (৪ এপ্রিল) এ বছরের পুলিৎজার বিজয়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। কলাম্বিয়া
ভারতের সংবিধানে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্য মন্ত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো কেন্দ্রীয় বেতন নির্ধারণ করা নেই। সংবিধান অনুযায়ী প্রতিটি রাজ্যের বিধানসভা নিজস্বভাবে মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণ করে।