নতুন পে-স্কেলে শুধু সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নয়, একাধিক ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মোবাইল, যাতায়াত, টিফিন, ধোলাই, চিকিৎসা ও বাড়িভাড়া ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধা। নতুন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে গ্রেডভেদে এসব ভাতার পরিমাণে পরিবর্তন আসবে।
প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোয় ৬ষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের জন্য মোবাইল ভাতা চালুর কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি চাকরিজীবীদের জন্য যাতায়াত ও টিফিন ভাতার পাশাপাশি ধোলাই ভাতাও নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া ভাতাতেও পরিবর্তন আসতে পারে।
এ ছাড়া পার্বত্য ও হাওর এলাকায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ ভাতার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। চিকিৎসা ভাতার ক্ষেত্রেও নতুন কাঠামোতে পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে। কর্মরত চাকরিজীবীদের পাশাপাশি পেনশনভোগীদের চিকিৎসা ভাতা নিয়েও প্রস্তাব রয়েছে।
বাড়িভাড়া ভাতার ক্ষেত্রেও গ্রেড ও বেতন অনুযায়ী নতুন হার নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে মূল বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতার ক্ষেত্রেও সরকারি চাকরিজীবীদের আর্থিক সুবিধা বাড়তে পারে।
যেসব ভাতায় পরিবর্তনের প্রস্তাব
মোবাইল ভাতা: ৬ষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মোবাইল ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
যাতায়াত ও টিফিন ভাতা: সরকারি কর্মচারীদের দৈনন্দিন কর্মস্থলসংক্রান্ত খরচ বিবেচনায় এসব ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
ধোলাই ভাতা: নির্দিষ্ট শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য ধোলাই ভাতা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।
বাংলা নববর্ষ ভাতা: নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া ভাতার কাঠামোতেও পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে।
পার্বত্য ও হাওর ভাতা: দুর্গম ও বিশেষ ভৌগোলিক এলাকায় কর্মরতদের জন্য বিশেষ ভাতার প্রস্তাব করা হয়েছে।
চিকিৎসা ভাতা: কর্মরত সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি পেনশনভোগীদের চিকিৎসা ভাতার বিষয়েও নতুন প্রস্তাব রয়েছে।
বাড়িভাড়া ভাতা: নতুন পে স্কেলে বেতন ও গ্রেডভেদে বাড়িভাড়া ভাতার নতুন হার নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে প্রস্তাবিত নতুন পে স্কেলে মূল বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতায়ও পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এসব প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে অনুমোদন ও বাস্তবায়নের পরই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কার্যকর সুবিধার পরিমাণ নিশ্চিত হবে।