২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে’ সংহতি জানিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, থিয়েটারসহ শোবিজের বিভিন্ন অঙ্গনের শিল্পী ও কর্মীরা।
‘দৃশ্যমাধ্যম শিল্পীসমাজ’-এর ব্যানারে বৃষ্টিতে ভিজে ফার্মগেট এলাকায় মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেন তারা। সেদিন সংস্কারের পক্ষে সরব ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনও।
রাজপথে দাঁড়িয়ে বাঁধন বলেছিলেন, ‘যে রাষ্ট্র প্রকাশ্যে নিরীহ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়, যে রাষ্ট্র নির্বিচারে গণগ্রেপ্তার করে, সেই রাষ্ট্র কখনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে পারে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই রাষ্ট্র আমাদের নিরাপত্তা দিতে পারেনি, এর দায় রাষ্ট্রকে নিতে হবে। মারা যাওয়া বাচ্চাগুলোর জায়গায় আমার মেয়ে থাকতে পারত, ওই মানুষগুলোর জায়গায় আমি থাকতে পারতাম। এই দায় রাষ্ট্রকে নিতে হবে। আমাদের নিরাপত্তা দিতে হবে।’
নিজের অধিকার ও স্বাধীনতার কথা তুলে ধরে বাঁধন বলেন, ‘আমি যখন আমার অধিকারের জন্য রাস্তায় দাঁড়াব, তখন কোনো অত্যাচার করতে পারবে না। এই রাজনীতি থেকে বের হতে হবে।’
সেদিন নিজের দেশ ছাড়ার কোনো ইচ্ছা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার অন্য কোনো দেশের পাসপোর্ট নেই। আমি এই দেশেই থাকব, আমার অধিকার ও স্বাধীনতা নিয়ে থাকব। এভাবে নিপীড়িত হয়ে থাকব না। আমার সন্তান এই পরিবেশে বেড়ে উঠবে না। সংস্কার আমরাই করব।’
বাঁধনের পাশাপাশি ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা মামুনুর রশীদ, মোশাররফ করিম, ইরেশ যাকের, সিয়াম আহমেদ, মোস্তফা মনওয়ার, সাবিলা নূর, মিথিলা, নাজিয়া হক অর্ষা, শ্যামল মওলা, নির্মাতা নুরুল আলম আতিক, আকরাম খান, অমিতাভ রেজা চৌধুরী, মাতিয়া বানু শুকু, রেদওয়ান রনি, আশফাক নিপুণ, আদনান আল রাজিব, পিপলু আর খান ও সৈয়দ আহমেদ শওকীসহ শোবিজের অনেকে।