নাটোরের বাগাতিপাড়ায় অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে দুই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার তমালতলা বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এই জরিমানা করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাগাতিপাড়ার তমালতলা বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানের সময় মৌসুমী স্টোর এবং নামহীন অপর একটি দোকানে তল্লাশি চালিয়ে অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক সামগ্রী জব্দ করা হয়। এ সময় অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে মৌসুমী স্টোরের স্বত্বাধিকারী সেলিম আলীকে ৪ হাজার এবং অপর একটি প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়াও ওই বাজারেরে বিভিন্ন দোকানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হাসান এ সময় ব্যবসায়ীদের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং অনুমোদনহীন ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেন।
তিনি চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যৌন উত্তেজক ওষুধ বা সামগ্রী ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, দৃষ্টিজনিত সমস্যা এবং হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ ধরনের পণ্য ব্যবহার বা বিক্রি না করার পরামর্শ দেন তিনি।
জনস্বার্থে বাজার তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনুমোদনহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
অভিযানের সময় কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) নাটোর শাখার দপ্তর সম্পাদক মীর আব্দুর রাজ্জাক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মচারী সুজন মাহমুদ এবং নাটোর আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।