বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চিত্রনায়ক সালমান শাহর দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন আদালত মধুদিয়া ইচ্ছাময়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মেজর এস এম জিহাদুজ্জামান (অব.)-কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতা পুরো ব্যাংকিং খাতে পড়তে পারে : এবিবি চেয়ারম্যান যে আইনে বৈধ হলো নাসির-তামিমার বিয়ে বাগেরহাটে দুর্বৃত্তের হামলায় কৃষকদলের সভাপতি নিহত, আহত ১ দিল্লিতে মুসলিম তরুণীকে হত্যা ও গণধর্ষণের অভিযোগ স্বামী অঙ্কিতের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় আপিল বিভাগে স্থগিত জবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মানববন্ধন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে অভিযান, ৮৬ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক এক সপ্তাহ শান্ত থাকবে ইরান-ইসরাইল: ট্রাম্প

ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতা পুরো ব্যাংকিং খাতে পড়তে পারে : এবিবি চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে চলমান পরিস্থিতি দেশের আমানতকারীদের অস্থিরতার প্রভাব শুধু একটি প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ থাকবে না, পুরো ব্যাংকিং খাতেও এর প্রতিফলন দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)।

বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ উদ্বেগের কথা জানান এবিবির চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসরুর আরেফিন। নিয়মিত ব্যাংকার্স সভায় আলোচ্যসূচির বাইরে এ আলোচনা হয়।

মাসরুর আরেফিন বলেন, দেশের বৃহত্তম ব্যাংকটির সংকট দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন এবং এ জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা জরুরি। ইসলামী ব্যাংকে যা চলছে, এটা পুরো ইন্ডাস্ট্রিতে বড় রকম নেতিবাচক প্রভাব ফেলা শুরু করেছে। আমরা চাই যে দ্রুত দুই পক্ষ মিলে এটা সমঝোতা করা হোক। বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকাররা উদ্বিগ্ন। গভর্নরও এই পরিস্থিতিকে কেবল ব্যাংকিং খাতের সমস্যা হিসেবে নয়, রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবেও দেখছেন।

এবিবির চেয়ারম্যান বলেন, ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে গভর্নর কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোতে (সিআইবি) সঠিক তথ্য দেওয়ার নির্দেশনাও দিয়েছেন।

সভায় গুরুত্ব পায় ঋণ প্রবৃদ্ধি বাড়াতে প্রস্তাবিত ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ অর্থায়ন কর্মসূচি। মাসরুর আরেফিন বলেন, বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ঋণ প্রবৃদ্ধির নিম্নগতি। ক্রেডিট গ্রোথ এখন আমাদের অন্যতম প্রধান ইস্যু। গভর্নরও চান ক্রেডিট গ্রোথ বাড়ুক। সে কারণেই এ প্যাকেজটি আসছে।

তার ভাষ্য, ঋণ কর্মসূচির আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তহবিলের একটি অংশ দেবে এবং বাকি অর্থ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া হবে। তবে ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত অর্থের বড় অংশ বর্তমানে ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ করা থাকায় অর্থ সংগ্রহের পদ্ধতি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এবিবি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা গভর্নরকে জানিয়েছি, কী পদ্ধতিতে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে অর্থ নেওয়া যেতে পারে। কারণ আমাদের অর্থের বড় অংশ ইতোমধ্যে ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ করা আছে।

ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার সম্প্রসারণ নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। আগামী ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার কথা ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে।

দেশের সব ব্যাংক সম্মিলিতভাবে বাংলা কিউআর কোডের প্রচার শুরু করবে তুলে ধরে মাসরুর আরেফিন বলেন, এবিবি এবং সদস্য ব্যাংকগুলো একযোগে বিলবোর্ড, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অন্যান্য প্রচারমাধ্যমে বাংলা কিউআরের প্রচার চালাবে। একই সঙ্গে সারা দেশে হাজার হাজার কিউআর কোড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ব্যাংকার্স সভা শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ভবনের নিচে বাংলা কিউআর কোডের প্লাকার্ড হাতে দাঁড়ান গভর্নর ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102