মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৫ দফা দাবিতে আগামীকাল থেকে সারাদেশে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটের ডাক ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব হারাচ্ছেন মিরাজ, নতুন অধিনায়ক কে? এআই দিয়ে আগাম শনাক্ত হবে নিত্যপণ্যের সংকট: বাণিজ্যমন্ত্রী বাগেরহাটের রামপালে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মন্ত্রীর পরিদর্শন : ক্লিনিক সিলগালার পর, এবার মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পরদিন মোরেলগঞ্জে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ক্লিনিক সিলগালা বাগেরহাটে খাল দখলমুক্তের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের অবস্থান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা সরকারি খাল দখলমুক্তের দাবিতে বাগেরহাটে তিন দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি শুরু ​পিলজংগ ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী সুইটি বেগম ত্যাগ, আদর্শ ও সংগ্রামের রাজনীতি: রাখালগাছির তরুণ নেতা শেখ মিজানুর মাহামুদ (রাজন)

প্রকৃতি ও জীবজন্তু রক্ষা করে সড়ক প্রশস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের কোনো ক্ষতি না করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক প্রশস্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে প্রয়োজন ছাড়া গাছ না কাটারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

সরকারপ্রধানের এই নির্দেশনা অনুসরণ করেই ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) (আর-১৭০) আঞ্চলিক মহাসড়ক (কালাবিবির দিঘী থেকে ঈদমনি) যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ শীর্ষক বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

১ হাজার ১৮৩ কোটি ৬৭ লাখ ২১ হাজার টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)। পুরো অর্থায়ন করা হবে সরকারের নিজস্ব (জিওবি) তহবিল থেকে। প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও বাঁশখালী এবং কক্সবাজারের পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলার মধ্য দিয়ে কালাবিবির দিঘী থেকে ঈদমনি পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়ককে আন্তর্জাতিক মানের প্রশস্ত সড়কে উন্নীত করা হবে। তবে এ কাজে গাছপালা, বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সড়ক নেটওয়ার্কের মানোন্নয়ন, নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করা, যাতায়াতের সময় ও পরিবহন ব্যয় কমানো এবং ভ্রমণ আরও আরামদায়ক করা সম্ভব হবে।

এ ছাড়া প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, পর্যটন, শিল্পায়ন এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102