নতুনের জয়গান হোক বাভাসির হাত ধরে’ এই স্লোগানকে ধারণ করে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত-সিঙ্গাপুর (বাভাসি) ত্রিদেশীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব-২০২৬।
চলচ্চিত্রপ্রেমী, নির্মাতা ও সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ উৎসব ইতোমধ্যে ৯ বছর অতিক্রম করে ১০ম বছরে পদার্পণ করেছে। দীর্ঘ এই যাত্রায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অসংখ্য নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্বের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে বাভাসি।
চলচ্চিত্র শিল্পের নতুন সম্ভাবনা ও সৃজনশীল প্রতিভাকে সামনে নিয়ে আসার লক্ষ্যে বাভাসি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব প্রতিবছরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে নতুন নির্মাতা, তরুণ চিত্রনাট্যকার এবং উদীয়মান শিল্পীদের জন্য এটি একটি কার্যকর ও সম্মানজনক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। চলচ্চিত্র নির্মাণের বিভিন্ন শাখায় মেধা, সৃজনশীলতা এবং পেশাদারিত্বকে উৎসাহিত করাই এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
উৎসবে চিত্রনাট্য, পরিচালনা, অভিনয়, চিত্রগ্রহণ, সম্পাদনা, রূপসজ্জা, শিল্প নির্দেশনা, আবহসংগীতসহ চলচ্চিত্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে অংশগ্রহণকারীদের কাজ মূল্যায়ন করা হবে। এছাড়া স্বল্পদৈর্ঘ্য, পূর্ণদৈর্ঘ্য, ফিকশন ও অন্যান্য ক্যাটাগরির চলচ্চিত্রও উৎসবে প্রদর্শন ও মূল্যায়নের সুযোগ পাবে। যোগ্যতা, সৃজনশীলতা এবং শিল্পমানের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রতিভাদের স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।
আয়োজকরা জানান, চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের সংস্কৃতি, শিল্পচর্চা ও সৃজনশীল ভাবনার আদান-প্রদানকে আরও সমৃদ্ধ করাই এই উৎসবের অন্যতম উদ্দেশ্য। বাংলাদেশ, ভারত ও সিঙ্গাপুরের নির্মাতাদের মধ্যে একটি শক্তিশালী সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন তৈরির ক্ষেত্রেও বাভাসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
আগ্রহী নির্মাতারা তাদের নির্মিত চলচ্চিত্র উৎসবে জমা দিতে পারবেন। চলচ্চিত্র পাঠানোর জন্য ই-মেইল করা যাবে info@babhasi.com এবং bavasi248@gmail.com ঠিকানায়। উৎসব সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য, নিয়মাবলি ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা যাবে বাভাসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.babhasi.com-এ।
উল্লেখ্য, উৎসবে জমাকৃত চলচ্চিত্রসমূহ অভিজ্ঞ ও দক্ষ জুরি বোর্ডের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হবে। পরবর্তীতে বিভিন্ন বিভাগে নির্বাচিত ও বিজয়ী চলচ্চিত্র এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পী-কলাকুশলীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।