ইরান-আমেরিকার মধ্যে টানা ৪০ দিনের সংঘাতের পর দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আগামী শুক্রবার ইসলামাবাদে এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে উভয় পক্ষ নতুন করে কোনো হামলা চালায়নি। চুক্তি অনুযায়ী, ইরানের মিত্র রাষ্ট্রগুলোর ওপরও হামলা থেকে বিরত থাকার কথা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের। তবে এর মধ্যেই লেবাননে ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি পরবর্তী লক্ষ্য লেবানন?
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, লেবাননকে এই যুদ্ধবিরতির বাইরে রেখেই ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের সমঝোতাকে তারা সমর্থন করেছেন।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু রাখার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছে ইসরায়েল।
নেতানিয়াহুর দাবি, মার্কিন প্রশাসন ইসরায়েলকে আশ্বস্ত করেছে যে এই চুক্তির মূল লক্ষ্য—বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা—বাস্তবায়নে তারা দৃঢ় থাকবে। পাশাপাশি, এই চুক্তির আওতায় লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ইসরায়েলের নীতিনির্ধারক মহলে এ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা টিকে থাকলে দেশটির পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বজায় থাকবে, যা ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদে হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে, লেবাননে চলমান হামলা ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।