জ্বালানি সাশ্রয়ে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করবে। সেখানেই বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্লাস কীভাবে চলবে- সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রোববার (৫ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ সরকারি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য জানান।
সভায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ৩১ মার্চ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে সব মহানগরীর স্কুলের ক্লাস অনলাইন ও অফলাইনে দুই মাধ্যমেই নেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, তারা আলোচনা করছেন অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোকে উৎসাহিত করার। যেহেতু বিশ্বব্যাপী সংকট (জ্বালানি সংকট), তার মানে বাংলাদেশও। তারা কেউ জানেন না, কতদিন এই সংকট চলবে। সে কারণে তারা দেশের স্কুলব্যবস্থাকে অনলাইন ও সশরীর— এই মিশ্র পদ্ধতিতে আনার কথা ভাবছেন।
তিনি জানান, এরই মধ্যে তারা জরিপ করে দেখেছেন, ৫৫ শতাংশ অংশীজন চাচ্ছেন অনলাইনে যাওয়ার জন্য। কিন্ত পুরোপুরি অনলাইনে গেলে বিষয়টি অসামাজিক হয়ে যাবে কি না, সেটাও ভাবা হচ্ছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব দেওয়া হবে। সেখানে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। তবে তারা এটা (অনলাইন ও সশরীর ক্লাস) চিন্তা করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া সব পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কথা ভাবা হচ্ছে বলেও জানিয়েছিলেন এহছানুল হক মিলন।