ঈদের পোশাক হওয়া উচিত আরামদায়ক, মার্জিত এবং উৎসবের সঙ্গে মানানসই। গরমের কথা মাথায় রেখে সুতি, লিনেন, জর্জেট বা মসলিন কাপড়ের হালকা রঙের পোশাক। যেমন প্যাস্টেল বা উজ্জ্বল শেড বেছে নেওয়া ভালো।
পুরুষরা ঐতিহ্যবাহী পাঞ্জাবি বা কুর্তা পরতে পারেন। আর নারীরা শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, গাউন কিংবা কুর্তি প্যালাজো সেটের মতো স্টাইলিশ ও আরামদায়ক পোশাক বেছে নিতে পারেন।
পোশাক নির্বাচনের কিছু টিপস
১. ঈদ অনেক সময় গরমের মধ্যে পড়ে। তাই সুতি, মিক্সড কটন, জর্জেট বা সিল্কের আরামদায়ক পোশাক নির্বাচন করা ভালো।
২. ঈদের সকালে হালকা রং যেমন প্যাস্টেল শেড, সাদা বা ব্লাশ পিঙ্ক খুব মানানসই। বিকেলের আড্ডা বা রাতের দাওয়াতে গাঢ় সবুজ, নীল বা লাল রঙের পোশাক উৎসবের আমেজ বাড়িয়ে দেয়।
৩. বর্তমানে সোজা কাটের কুর্তি, লম্বা শার্ট, প্যালাজো, মিক্স-অ্যান্ড-ম্যাচ সেট এবং ঐতিহ্যবাহী কারচুপির কাজ করা পোশাক বেশ জনপ্রিয়।
৪. ঐতিহ্যবাহী পোশাক যেমন পাঞ্জাবি বা শাড়ি সবসময় ঈদের আভিজাত্য ধরে রাখে। কুর্তা বা শাড়ির সঙ্গে নেহরু জ্যাকেটও বেশ মানানসই লাগে।
পরিচ্ছন্নতা ও শালীনতা
পোশাক যেন আরামদায়ক হওয়ার পাশাপাশি শালীনও হয় যা উৎসবের সৌন্দর্য ও মর্যাদা ফুটিয়ে তোলে। পোশাক যদি আরামদায়ক হয়, তাহলে দীর্ঘ সময় পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়াও সহজ হয়ে ওঠে।