রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন

ইসরায়েলি হামলায় বেঁচে আছেন কি খামেনি?

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বাসভবন ও তার কার্যালয়ের এলাকাসহ দেশটির একাধিক স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এসব হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন না বেঁচে আছেন তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

কেউ দাবি করছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি আর বেঁচে নেই। আবার কেউ বলছেন, হামলার সময় ইরানের রাজধানী তেহরানে ছিলেন না খামেনি। তাকে তেহরানের বাইরে একটি সুরক্ষিত জায়গায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

এদিকে টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে খামেনির কার্যালয়ের আশপাশে হামলার কিছু স্যাটেলাইট চিত্র তুলে ধরেছে। যেগুলোতে দেখা গেছে, ব্যাপক ধ্বংসস্তূপের চিহ্ন। এমনকি খামেনির কার্যালয়ের ভেতরে এবং বাইরের কিছু ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ছাড়া পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রাসাদও।

ইসরায়েলি এক কর্মকর্তার সূত্র দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই কার্যালয়ে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ইরানি নেতার মধ্যে খামেনিও ছিলেন।

তবে হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি টাইমস অব ইসরায়েল। এমনকি হামলার চূড়ান্ত ফলাফল বা ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ বিবরণও এখন পর্যন্ত স্পষ্ট করেনি গণমাধ্যমটি।

অপরদিকে খামেনির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেনি ইরানের বার্তা সংস্থাগুলোও। তবে ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান নিরাপদে আছেন বলে দেশটির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইরানের একজন কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশটির রাজধানীতে নেই। তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সংলাপ শুরু হয়েছিল। কিন্তু শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় কোনো ধরনের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই সংলাপ শেষ হয়। এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টা না পরা হতেই ইরানে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল।

এর আগে গত বছরের ১৩ জুন ইরানের পরমাণু স্থাপনা ও ড্রোন সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রও সেই অভিযানে অংশ নেয়। সে সময় ইরানের তিনটি প্রধান পরমাণু কেন্দ্রে আঘাতের দাবি করে পেন্টাগন। টানা ১২ দিনের সংঘাত শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস চরমে পৌঁছে যায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সেই অবিশ্বাসের কারণে নতুন করে ফের সংঘাতে জড়িয়েছে দেশ দুটি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102